ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের পর থেকে প্রায় ১ হাজার ১০০ দূরপাল্লার স্টেলথ ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করেছে। এ ছাড়া দেশটির সামরিক বাহিনী ১ হাজারের বেশি টমাহক ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছে, যা প্রতিবছর এই মিসাইল কেনার পরিমাণের প্রায় ১০ গুণ। যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা এই মিসাইলের মজুত এখন প্রায় ফুরিয়ে যাওয়ার পথে।
প্রতিরক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ হিসাব ও কংগ্রেসের কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, এই যুদ্ধে ১ হাজার ২০০টির বেশি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর মিসাইল (প্রতিটির দাম ৪০ লাখ ডলারের বেশি) এবং ১ হাজারের বেশি ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক’ ও ‘গ্রাউন্ড বেসড’ মিসাইল ব্যবহার করেছে পেন্টাগন। এর ফলে মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডারে আশঙ্কাজনক ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
তাই এশিয়া ও ইউরোপ থেকে তড়িঘড়ি করে মধ্যপ্রাচ্যে বোমা, মিসাইল ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম পাঠাতে বাধ্য হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে রাশিয়া ও চীনের মতো শত্রুদের মোকাবিলায় ওই অঞ্চলগুলোতে মার্কিন বাহিনীর প্রস্তুতি দুর্বল হয়ে পড়েছে। ঘাটতি পূরণে এখন উৎপাদন বাড়ানোর উপায় খুঁজছে দেশটি।
এই যুদ্ধ দামি মিসাইল ও গোলাবারুদের (বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে) ওপর পেন্টাগনের অতিমাত্রায় নির্ভরতার বিষয়টিকেও সামনে এনেছে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা শিল্প কত দ্রুত সস্তা অস্ত্র—বিশেষ করে আক্রমণকারী ড্রোন—তৈরি করতে পারবে, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কর্মকর্তারা বলেন, ফুরিয়ে যাওয়া এই বিপুল অস্ত্রভাণ্ডারের ঘাটতি পুরোপুরি মেটাতে অন্তত ছয় বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
সময়ের আলো/কেএইচও