কক্সবাজারের টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের জন্য জড়োকালে মানবপাচার চক্রের গোপন আস্তানায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে নারী ও শিশুসহ মিয়ানমারের ৬৯ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে উদ্ধার এবং তিন পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৩ টায় এ তথ্য জানান বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান।
তবে আটক পাচারকারীদের নাম ও পরিচয় নিশ্চিত করতে না পারলেও উদ্ধাররা মিয়ানমার নাগরিকরা উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে তথ্য দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন
লে. কর্নেল হানিফুর রহমান বলেন, সোমবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালী পাড়ায় জনৈক মোহাম্মদ শক্কুরের বসত বাড়ীর পাশের একটি আস্তানায় সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে কিছু সংখ্যক লোকজনকে জড়ো করার খবর পায় বিজিবি। পরে সন্দেহজনক বসত ঘরটি ঘিরে ফেললে বিজিবির সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ৮/১০ লোক কৌশলে পালানোর চেষ্টা চালায়। এ সময় ধাওয়া দিয়ে ৩ পাচারকারীকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়।
এ সময় পাচারকারীদের গোপন আস্তানায় তল্লাশি করে ৫ জন পুরুষ, ২০ জন নারী ও ৩৩ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে মানবপাচারের কাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশা এবং দুটি খালি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়েছে।
অপরদিকে বিকালে টেকনাফ সদর নাজির এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে আরো ১১ জন রোহিঙ্গা কে আটক করেছে বিজিবি, তাদের মধ্যে ৪ জন নারী ৭ জন শিশু রয়েছে।
বিজিবির এ কর্মকর্তা জানান, উদ্ধার রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের যাদের আইডি কার্ড রয়েছে তাদের কে স্ব স্ব ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হবে। এবং যাদের কার্ড নেই তাদেরকে মিয়ানমারে পুশব্যাক করা হবে। আটক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
এএডি/