কালবৈশাখী ঝড়ে হেলে পড়েছে আধাপাকা ধান

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুর

সারাদেশ

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মঙ্গলবার ও বুধবার বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ো হাওয়ায় মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান

2026-04-30T12:47:46+00:00
2026-04-30T12:47:46+00:00
 
  বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
কালবৈশাখী ঝড়ে হেলে পড়েছে আধাপাকা ধান
নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুর
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম 
ধানক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে। ছবি : সময়ের আলো
চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মঙ্গলবার ও বুধবার বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ো হাওয়ায় মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান হেলে পড়েছে। সেই সঙ্গে নিচু এলাকার অনেক ধানক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে। হেলে পড়া ও পানিতে ডুবে যাওয়া ধান বিনষ্টের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। একদিকে দিনমজুর সংকট, অন্যদিকে ফসল বিনষ্টের আশঙ্কায় মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদের। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে বোরো চাষিদের লোকসানের মুখ দেখতে হবে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বোরো চাষাবাদ হয়েছে ১০ হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে এক তৃতীয়াংশ নিচু এলাকায়। নিচু জমির ধান কাটামাড়াই শুরু হয়েছে। ডাঙ্গা জমির ধান আধাপাকা অবস্থায় রয়েছে। আগামী ১৫/২০ দিনের মধ্যে ধান কাটা মাড়াই পুরোদমে শুরু হবে। এক বিঘা জমিতে খরচ হয় ১২/১৫ হাজার টাকা। ফলন ভালো হলে বিঘাতে ধান হয় ২৫/২৮ মণ। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।
Advertisement
আরও পড়ুন

টরকি গ্রামের আবদুর রহমান (৫৮) বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে তিনি ৫ বিঘা জমিতে চাষাবাদ করেছেন। তার বেশির ভাগ জমি নিচু এলাকায়। ইতোমধ্যে তিনি ২ বিঘা জমির ধান কাটা মাড়াই করেছেন। কিন্তু ধান ও খড় শুকাতে পারেন নাই। তার মধ্যে ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়েছে। তার এক বিঘা জমির ধান হেলে পড়েছে। পানিতে ডুব ডুব অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টি বাদল অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডুবে যাবে। পাকা ধান নিয়ে শঙ্কায় রছেন তিনি।

তালতলী গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর আলম সরদার (৫৫) বলেন, বর্তমানে ধান কাটা মাড়াইয়ের দিনমজুর সংকট দেখা দিয়েছে। চুক্তি ছাড়া দিনমজুরগণ কোনো কাজ করছেন না। বিঘাপ্রতি কাটা মাড়াইয়ের জন্য দিতে হচ্ছে ৫/ ৬ হাজার টাকা। তাছাড়া বৃষ্টি বাদলের দিনে দিনমজুর পাওয়া আরও দুরূহ ব্যাপার।

উপজেলা কৃষি অফিসার ফয়সাল মোহাম্মদ আলী  বলেন, গত দুই দিন হতে যে হারে ঝড়ো হাওয়া বইছে, তাতে করে ফসলের তেমন ক্ষতি বা বিনষ্টের সম্ভাবনা নেই। আগামী দুইদিন পর বৃষ্টি কম হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমাদের কৃষকরা হারভেস্টার মেশিন নিয়ে প্রস্তুত আছে। ধান হারভেস্ট করার জন্য। তবে নিচু এলাকার ফসল ঘরে তুলতে কৃষকের কষ্ট হবে। চলতি মৌসুমে বোরো ধানের ফলন ভালো হচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এএডি/
  বিষয়:   কালবৈশাখী  ঝড়  আধাপাকা  ধান 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: