গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার ২৭ দিন পর প্রধান আসামি রিফাত মিয়াকে (১৯) গ্রেফতার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থেকে র্যাব-১৩ ও র্যাব-১১-এর যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
গত ৪ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুটি (১১) পাশের বাড়ি থেকে দুধ নিয়ে ফেরার পথে একই এলাকার আজাদুল মিয়ার ছেলে রিফাত মিয়া তার মুখ চেপে ধরে পাশের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে হত্যার ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়।
মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে রিফাত দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরবর্তীতে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার পরদিন ৫ এপ্রিল ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর থেকেই আসামি রিফাত আত্মগোপন করেছিল।
র্যাব-১৩ (গাইবান্ধা) এবং র্যাব-১১ (নারায়ণগঞ্জ)-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফতুল্লার কায়েমপুর মোল্লাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শুক্রবার (১ মে) সকালে পলাশবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘ ২৭ দিন পর ঘাতক রিফাত গ্রেফতার হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছে।
সময়ের আলো/জোই