১৫ বছরের ব্যবধানে আসাম বিধানসভায় ফের জায়গা করে নিতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মন্দিয়া কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী শেরমান আলি কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ ও শক্তিশালী প্রার্থী আবদুল খালেককে প্রায় ১৭ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
এখনও শেষ রাউন্ডের গণনা বাকি থাকলেও সেখানে ভোটের সংখ্যা মাত্র প্রায় ২ হাজার। ফলে বর্তমানে প্রায় ১৭,৮০০ ভোটে এগিয়ে থাকা শেরমান আলির জয় কার্যত নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
ভোটের কিছুদিন আগে কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর তিনবারের বিধায়ক শেরমান আলি তৃণমূলে যোগ দেন। কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবদুল খালেককে সামনে পেয়েও শুরু থেকেই শেরমানের জনসভায় ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়, যা তাঁর জয়ের ইঙ্গিত দেয়।
রাজনৈতিক প্রচারে তৃণমূলও বিশেষ জোর দেয় এই কেন্দ্রে। এমন এক সময়, যখন বিজেপি মিঁয়া মুসলিমদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রচার চালিয়ে ভোটে সাফল্য পেয়েছে, শেরমান আলি বরাবরই নিজের মিঁয়া পরিচয় তুলে ধরে পাল্টা লড়াই চালিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০০৪ সালে মরিয়নি কেন্দ্রে অলক ঘোষ অসমে তৃণমূলের প্রথম জয় এনে দেন। পরে ২০১১ সালে হাজো কেন্দ্রে দ্বীপেন পাঠক তৃণমূলের হয়ে জিতেছিলেন। তবে বিধানসভায় শেরমান আলি বরাবরই অন্যতম সক্রিয় ও সরব মুখ হিসেবে পরিচিত।
কর্মজীবনের শুরুতে অসম সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় শীর্ষস্থান অর্জন করা শেরমান আলি পরে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে বাঘবরের বিধায়ক হন। তার এই জয়ের ফলে অসম রাজনীতিতে তৃণমূলের উপস্থিতি আরও জোরালো হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
/ইউএমএইচ