বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ক্রীড়া খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের ইঙ্গিত মিলেছে সাম্প্রতিক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে। যুব উন্নয়ন, নারী ক্রীড়ার প্রসার এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কূটনীতিকে এগিয়ে নিতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। সৌজন্য সাক্ষাৎ হলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং যৌথ উদ্যোগের ক্ষেত্রগুলো।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী জানান, ক্রীড়াকে কেবল বিনোদন নয় বরং সামাজিক উন্নয়ন ও বৈষম্য কমানোর একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা খুঁজে বের করতে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি’ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যেখানে কিশোর-কিশোরীদের বাছাই করে উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ক্রীড়া খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কারিগরি সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
অন্যদিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশের ক্রীড়া খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বিশেষ করে নারী ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, কমনওয়েলথ গেমসকে সামনে রেখে সাঁতার, বক্সিং ও মার্শাল আর্টের মতো খেলায় যৌথ উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
এছাড়া প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে প্যারালিম্পিক কার্যক্রমেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। তার মতে, ক্রীড়ার মাধ্যমে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা সম্ভব এবং এটি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।
এএডি/