উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান যুদ্ধ বন্ধে একটি এক পৃষ্ঠার ১৪ দফার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কাছাকাছি পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এই চুক্তির মাধ্যমে প্রথমে যুদ্ধের অবসান ঘটানো হবে। পরে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি পূর্বের শর্ত মেনে নেয় তাহলে যুদ্ধ শেষ হতে পারে। তবে তিনি এ বিষয়ে এর বেশি কিছু জানাননি।
জানা গেছে, প্রাথমিক এই সমঝোতা হলে পূর্ণাঙ্গ চুক্তির জন্য ৩০ দিনের আলোচনা শুরু হবে। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দিবেন স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার।
সম্ভাব্য এই চুক্তির খবরে বিশ্ববাজারে প্রভাব পড়েছে। তেলের দাম প্রায় ১১ শতাংশ কমেছে এবং শেয়ারবাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে প্রস্তাবিত স্মারকে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবির উল্লেখ নেই। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করা।
এর আগে ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি নৌ অভিযান শুরু করেছিলেন, যা হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে তেমন সফল হয়নি। পরে আলোচনায় অগ্রগতির কারণে অভিযানটি স্থগিত করা হয়।
তবে হরমুজ প্রণালিতে একটি ফরাসি জাহাজে হামলার খবর পাওয়া গেছে। এতে কয়েকজন নাবিক আহত হয়েছেন বলেও জানা যায়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তারা একটি ন্যায্য ও পূর্ণাঙ্গ চুক্তি প্রত্যাশা করছেন।
আরবিএন