দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে একাধিক ডায়াগনস্টিক ও প্যাথলজি সেন্টার। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে এবং কোথাও কোথাও ভুল রিপোর্ট দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বা অনুমোদনের কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই বলেও জানা গেছে।
এছাড়া কিছু ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নির্ধারিত মূল্য তালিকা প্রদর্শন না থাকায় রোগীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
ভাদুরিয়া বাজারের এক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক মোরছালিন হোসেন বলেন, তারা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছেন এবং নিয়ম মেনেই সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
ভাদুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সচিব জানান, অনুমোদনহীনভাবে ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালিত হলে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হতে পারে, তাই নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।
নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, লাইসেন্স ছাড়া কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করা যায় না। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দিনাজপুর সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তা জানান, লাইসেন্স ছাড়া প্রতিষ্ঠান পরিচালনা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও প্রতিষ্ঠান বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/এসএকে