ক্রিকেট মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও জনপ্রিয় হতে হবে ক্রিকেটারদের। এমন নতুন বাস্তবতাই সামনে আনছে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল)। টুর্নামেন্টটির ষষ্ঠ আসরে খেলোয়াড়দের ক্যাটাগরি নির্ধারণে এবার বড় পরিবর্তন আনছে আয়োজকরা।
নতুন নীতিমালায় ক্রিকেটীয় পরিসংখ্যানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া উপস্থিতি ও বাণিজ্যিক গ্রহণযোগ্যতাকে। অর্থাৎ, শুধু অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হলেই হবে না- ভক্তদের মধ্যেও থাকতে হবে উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয়তা।
আয়োজকদের ঘোষিত মানদণ্ড অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ‘আইকন’ ক্যাটাগরিতে জায়গা পেতে হলে একজন ক্রিকেটারকে অন্তত ৭৫টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে হবে। পাশাপাশি থাকতে হবে ১০০টির বেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা। গত ১৮ মাসে অন্তত ৩০ ম্যাচে অংশ নেওয়ার শর্তও রাখা হয়েছে। তবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে- সোশ্যাল মিডিয়ায় ন্যূনতম আড়াই লাখ অনুসারী না থাকলে এই ক্যাটাগরির জন্য আবেদনই করা যাবে না।
আরও পড়ুন
এছাড়া ‘স্টার’ ক্যাটাগরির জন্য অন্তত ৩০ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ও ৭৫টির বেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে। শেষ দেড় বছরে খেলতে হবে কমপক্ষে ২০ ম্যাচ। এই স্তরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কমপক্ষে দেড় লাখ ফলোয়ার থাকতে হবে।
অন্যদিকে ‘ক্লাসিক’ ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলতে হবে অন্তত ২০টি এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থাকতে হবে ৫০টির বেশি। একই সঙ্গে খেলোয়াড়ের ফ্যানবেজ ও বাণিজ্যিক আকর্ষণও মূল্যায়ন করা হবে বলে জানা গেছে।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে এখন শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয়, দর্শক টানার সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সেই বাস্তবতায় এলপিএলের এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে অন্য লিগগুলোর জন্যও উদাহরণ হতে পারে।
এএডি/