লেবাননের সরকার ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান আলোচনায় তাদের প্রধান অগ্রাধিকারগুলো পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছে। দক্ষিণ লেবাননসহ পুরো দেশে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য বলে জানিয়েছে সরকার।
প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী উভয়েই বলেছেন, প্রথমে সহিংসতা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। তারপরই আস্থার পরিবেশে আলোচনায় বসা সম্ভব হবে। তবে বাস্তবে এখনো পুরোপুরি যুদ্ধবিরতির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে স্বীকার করেছে তারা।
সরকারের অন্যতম প্রধান দাবি হলো— ইসরায়েলি সেনাদের লেবাননের ভূখণ্ড থেকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রত্যাহার। পাশাপাশি ইসরায়েলের হাতে আটক লেবানিজ বন্দিদের মুক্তির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
দক্ষিণ লেবাননের পুনর্গঠনও আলোচনার বড় অংশ। সেখানে অন্তত ৫৫টি শহর ও গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিত এলাকায় ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আন্তর্জাতিক সমর্থন। সরকার চাইছে দক্ষিণ লেবাননকে সামরিকীকরণমুক্ত করার বিষয়ে একটি স্পষ্ট কাঠামো তৈরি হোক, যেখানে যুদ্ধ বা শান্তির সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বৈরুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, চলমান বোমাবর্ষণ ও সহিংসতার মধ্যে এমন জটিল রাজনৈতিক সমঝোতা এখনই সহজ নয়।
/ইউএমএইচ