৪১৩ রানের বিপরীতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল পাকিস্তান। তবে শেষটা রাঙিয়েছে বাংলাদেশ। টাইগার স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের ফাইফারে এগিয়ে রইলো স্বাগতিকরা। পাকিস্তানকে ৩৮৬ রানে অলআউট করে ২৭ রানের লিড পেয়েছে শান্ত-মিরাজরা।
দ্বিতীয় দিনের খেলায় অভিষিক্ত ওপেনার আজান ৮৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শুরু করেন। ১৫৩ বলে ১৪ চারে ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসেই তুলে নেন সেঞ্চুরি।
সেঞ্চুরি পূর্ণ করার একটু পরেই আজানকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে দিনের প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দিলেন পেসার তাসকিন। এর আগে ২১ বছর বয়সী পাকিস্তানি এই ব্যাটারের ১৬৫ বলে ১০৩ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১৪টি চারে।
তৃতীয় দিনের পঞ্চম ওভারে নাহিদ রানার বলে সিঙ্গেল রান নিয়ে আজান ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান। ফজলের সঙ্গে ১০৪ রানের জুটি গড়ে ফিরে যান তিনি। তারপর বাংলাদেশ ৪ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট পায়। অধিনায়ক শান মাসুদকে (৯) দুই অঙ্কের ঘরে যেতে দেননি তাসকিন। সাদমান ইসলামকে ক্যাচ দেন পাকিস্তানি অধিনায়ক। পরের ওভারে সৌদ শাকিলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মিরাজ। ৪ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি শাকিল।
১০২ বলে ৭ চারে অভিষেকে ফিফটি করেন ফজল। তিনি আর বেশিদূর যেতে পারেননি। উইকেট হারানোর মিছিলে তিনি যোগ দেন মিরাজের বলে তাইজুলকে ক্যাচ দিয়ে। ১২০ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ৬০ রান করেন তিনি।
১ উইকেটে ২১০ রান করা পাকিস্তান ২৩০ রানে হারায় পঞ্চম ব্যাটারকে। এরপর সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান দলকে সামনে থেকে লিড দিতে থাকেন। ষষ্ঠ উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ১১৯ রানের জুটি। তাতেই বড় হতে থাকে দলীয় স্কোর। এই দুই ব্যাটারই ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নেন।
তবে দুজনের কেউই ফিফটির পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। তাইজুল ইসলামের করা বলে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন রিজওয়ান। আউট হওয়ার আগে করেন ৭৯ বলে ৫৯ রান। এদিকে ৯৪ বল খেলে ছয়টি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ৫৮ রান করেন সালমান আগা।
প্রথম ইনিংসে অধিনায়ক শান্তর ১০১, মুমিনুল হকের ৯১ এবং মুশফিকুর রহিমের ৭১ রানে ভর করে স্বাগতিকরা ৪১৩ রান তোলে। পাকিস্তানের পক্ষে ৫ উইকেট নেন মুহাম্মদ আব্বাস।
সময়ের আলো/আআ