পাকিস্তানি অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিমের ঘর ভাঙার খবরে সরগরম হয়ে উঠেছে নেট দুনিয়া। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইমাদ নিজেই বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। তবে বিষয়টি নিয়ে নীরবতা ভেঙে স্ত্রী সানিয়া আশফাক যে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন, তাতে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সানিয়ার দাবি, তাদের এই দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন তছনছ হওয়ার পেছনে রয়েছে জনৈক ‘তৃতীয় ব্যক্তি’।
নিজের বিবৃতিতে ইমাদ ওয়াসিম জানান, গত কয়েক বছর ধরে চলা ক্রমাগত কলহ ও মতপার্থক্যের জের ধরেই তিনি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন। ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধ জানিয়ে ইমাদ লেখেন, অনেক চিন্তাভাবনার পর এবং অমীমাংসিত সংঘাতের কারণে আমি বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছি।
ইমাদের বিবৃতির কিছুকাল পরেই নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক দীর্ঘ ও আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেন সানিয়া। তিনি লেখেন, গভীর বেদনা নিয়ে আমি এই কথাগুলো লিখছি। আমার সাজানো ঘর ভেঙে গেছে, আমার সন্তানরা আজ পিতৃহীন। আমার পাঁচ মাস বয়সী শিশুটিকেও তার বাবা এখনো একবার কোলে তুলে নেয়নি।
বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে সানিয়া স্পষ্ট অভিযোগ তুলে বলেন, আমাদের এই সংসার ভাঙার মূল কারণ হলো জনৈক এক তৃতীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপ। তিনি আমার স্বামীকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যেই আমাদের নড়বড়ে সম্পর্কের ওপর চূড়ান্ত আঘাত করেছেন। সানিয়ার দাবি, গর্ভাবস্থায় থাকাকালীনও তিনি মানসিকভাবে লাঞ্ছিত ও অবহেলিত হয়েছেন, তবুও সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ধৈর্য ধরেছিলেন।
২০১৯ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতির ঘরে তিনটি সন্তান রয়েছে। বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে সানিয়া আরও জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে আইনি জটিলতা চলছে এবং সঠিক সময়ে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সত্য সবার সামনে আসবে।
/কহু