যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাকৃবির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
বাকৃবি প্রতিনিধি
সারাদেশ
বাংলাদেশের পুনর্জীবনশীল (রিজেনারেটিভ) কৃষি, টেকসই তুলা উৎপাদন, গবেষণা এবং সক্ষমতা উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সামাজিক উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান কটন
যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাকৃবির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
বাকৃবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্যানেল ডিসকাশন ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ছবি : সময়ের আলো
বাংলাদেশের পুনর্জীবনশীল (রিজেনারেটিভ) কৃষি, টেকসই তুলা উৎপাদন, গবেষণা এবং সক্ষমতা উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সামাজিক উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান কটন কানেক্ট লিমিটেডের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)।
সম্প্রতি ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় বাকৃবির পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া এবং কৃষিতত্ত্ব বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. আহমেদ খায়রুল হাসান।
সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর প্রদান।
অন্যদিকে, কটন কানেক্ট লিমিটেডের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলিসন ওয়ার্ড এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধি মোহাম্মদ আবু বকর।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ইসলাম মোহাম্মদ।
অধ্যাপক ড. আহমেদ খায়রুল হাসান বলেন, ‘এই সমঝোতার মাধ্যমে টেকসই ও অনুসরণযোগ্য তুলা উৎপাদন, মাটির স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কৃষক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গবেষণাভিত্তিক উদ্ভাবন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। পাশাপাশি গবেষক, শিক্ষাবিদ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মী এবং কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ (টিওটি), মাঠ প্রদর্শনী এবং কৃষক শিক্ষণ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পুনর্জীবনশীল কৃষি পদ্ধতির প্রসার ঘটানো হবে।’
প্যানেল ডিসকাশন।
এ ছাড়া প্যানেল ডিসকাশনের অংশ হিসেবে ‘বাংলাদেশে পুনর্জীবনশীল কৃষি ব্যবস্থার পরিবেশ তৈরি’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন অধ্যাপক ড. আহমেদ খায়রুল হাসান। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ক্লাইমেট চেইঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-এর প্রতিনিধিরা।
এতে আরও অংশগ্রহণ করেন সরকারি কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সংস্থা, বৈশ্বিক ব্র্যান্ড, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, বস্ত্রশিল্প প্রতিনিধি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা। আলোচনায় বাংলাদেশের পুনর্জীবনশীল ও অনুসরণযোগ্য তুলা উৎপাদনের ভবিষ্যৎ, কৃষকের সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি উদ্ভাবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া একাডেমিয়া, শিল্পখাত, সরকার এবং আন্তর্জাতিক অংশীজনদের মধ্যে সমন্বিত অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন।