ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে কোরবানি ঈদের পশুর হাটের টেন্ডারকে কেন্দ্র করে এনসিপি ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠেছে। ওই ঘটনায় একাধিক সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেলা দেড়টার দিকে উপজেলা প্রাঙ্গণে এ সংঘর্ষের ঘটনা হয়। বর্তমানে উপজেলার পরিস্থিতি থমথমে অবস্থায় রয়েছে।
বিএনপি সমর্থকরা এনসিপির লোকদেরকে ধাওয়া করলে তারা উপজেলা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় সমকালের সাংবাদিক রায়হানসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও।
জানা গেছে, ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানা তারানগর ইউনিয়নের মিলিনিয়াম কোরবানি ঈদের পশুর হাটের টেন্ডারকে কেন্দ্র করেই টেন্ডারের আগমুহূর্তে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গত বছর মিলেনিয়াম সিটির হাটের ইজারা পায় এনসিপির সমর্থকরা। এবারও এনসিপির পক্ষ থেকে টেন্ডার নেওয়ার জন্য সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা কেরানীগঞ্জ উপজেলায় আসেন। তবে কেরানীগঞ্জে হাটের টেন্ডার দেওয়ার আগেই বিভিন্ন হাট দখল করে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা। এনসিপির সদস্যদেরকে উপজেলা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্যই বিএনপি’র পক্ষ থেকে এ হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ তাদের।
জাতীয় ছাত্র শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক আল আমিন সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক এবং ঢাকা জেলা আহ্বায়ক শেখ ফয়সাল, জাতীয় ছাত্র শক্তির দক্ষিণ থানার আহ্বায়ক রতনসহ নিজামুল, সাফায়েত ও ছাব্বির হামলার শিকার হয়ে আহত হন।
তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি এ হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তারানগর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেনের সমর্থকরা মানুষকে একাধিক লোকের উপর হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় বিএনপির সমর্থিত তারানগর ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক সদস্যরা জড়িত বলে অভিযোগ করেছে এনসিপির নেতাকর্মীরা।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ওমর ফারুক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরবিএন