মহিষের খামার করে প্রথম বছরেই বাজিমাত করেছেন খামারি আব্দুল্লাহ। খামারের দুটি মহিষ ২০ লাখ টাকায় বিক্রির আশা করছেন তিনি।
৮ মাস আগে মাত্র ২টি মহিষ নিয়ে যাত্রা শুরু করা মেহেরপুরের বানিয়াপুকুর গ্রামের এই কৃষকের খামারে এখন মহিষের সংখ্যা ১২টি।
আব্দুল্লাহ জানান, মহিষের প্রধান খাদ্য হিসেবে খড়, কাঁচা ঘাস এবং দানাদার খাবার দেওয়া হয়। এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় পরিচর্যায় বেড়ে চলেছে মহিষগুলো। খামারের সবচেয়ে বড় দুটি মহিষের একটির মাংসের ওজন ধরা হচ্ছে ১৭ মণ। এক জোড়ার দাম উঠেছে ১৮ লাখ টাকা। মহিষ দুটি ৮ মাস আগে সাড়ে ৫ লাখে কিনেছিলেন তিনি। তার এই জোড়া মহিষ এলাকার সেরা মহিষের তকমা নিয়ে কোরবানির বাজারে সাড়া ফেলেছে। প্রতিদিন এই খামারে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছেন ব্যাপারীরা।
বানিয়াপুকুর গ্রামের ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের জেলায় অনেক গরু-ছাগল পালন হলেও, খামার ভিত্তিক মহিষ পালন হয় না। কোরবানির সময় বিক্রি করার জন্য একটি গরু মোটাতাজা করতে হয় অন্তত দুই বছর ধরে। অন্যদিকে, ছয়-সাত মাস পরিচর্যা করলেই একটি মহিষ মোটাতাজা করে বিক্রি করা যায়। এতে খামারিদের খরচ ও সময় সাশ্রয় হয়। খামারি আব্দুল্লাহর এই খামার দেখে আমারও ইচ্ছে আছে একটা খামার করার।’
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. তোফাজ্জল হোসেন জানান, জেলায় গরু ছাগলের অনেক খামার আছে। কিন্তু নদীনালায় পানি না থাকায় মহিষ পালন করা কঠিন। তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা সাপেক্ষে মহিষ পালন করলে খামারিরা যেমন লাভবান হবেন, তেমনি মাংসের চাহিদা পূরণে এক নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।
/মহু