ঝালকাঠিতে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

সারাদেশ

কোরবানির ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। ঝালকাঠি জেলায় জমে উঠতে শুরু করেছে কুরবানির পশুর হাটগুলো। স্থানীয় খামারে পালিত গরু, ছাগল

2026-05-21T21:40:17+00:00
2026-05-21T21:40:17+00:00
 
  শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬,
১ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
ঝালকাঠিতে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৯:৪০ পিএম 
ঝালকাঠির রাজাপুরের বাগড়ি হাট থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে তোলা। ছবি : সময়ের আলো
কোরবানির ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। ঝালকাঠি জেলায় জমে উঠতে শুরু করেছে কুরবানির পশুর হাটগুলো। স্থানীয় খামারে পালিত গরু, ছাগল বিক্রি হচ্ছে হাটগুলোতে। জেলার চারটি উপজেলায় এ বছর অর্ধশতাধিক স্থানে বসেছে কোরবানির পশুরহাট। 

এসব হাটে এখনো ভারতীয় গরু না থাকায় পশুর দাম চড়া বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে গবাদি পশুর দাম বেশি। তবে কোরবানির দিন যত ঘনিয়ে আসবে বেচাকেনাও ততটাই জমে উঠবে। পছন্দের পশু কিনতে ক্রেতারা ভিড় জমাচ্ছেন জেলার বিভিন্ন হাটে। 

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলার হাটগুলোতে আসতে শুরু করেন ক্রেতারা। গত কয়েকদিন তেমন বেচা-কেনা না হলেও আজকে হাটে অনেক ক্রেতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত পশুর হাটগুলো। পছন্দ হলে দরদাম করছেন ক্রেতারা। 

প্রতিবারের মত এবারও মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদা বেশি। সব চেয়ে বড় পশুরহাট বসেছে ঝালকাঠির সুগন্দিয়া, শহরের গুরুদাম, বিকনা, গাবখান, বাউকাঠি, নলছিটির চায়না মাঠ ও রাজাপুরের বাঘরি এলাকায়। এসব হাটে পর্যাপ্ত গরু, ছাগল ও মহিষ থাকলেও বেচাকেনা খুবই কম। 
বাজারগুলোতে স্থানীয় খামারের বিষমুক্ত গরুর সমাহার। ক্রেতারা গরু দেখে যে দাম বলছেন, তাতে গরু বিক্রি করা যায় না বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। 

ক্রেতাদের অভিযোগ, বিগত বছর গুলোর চেয়ে এ বছর তুলনামূলকভাবে পশুর দাম অনেক বেশি। হাটগুলোতে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে দুই থেকে তিন লাখ টাকা-মূল্যের গরু উঠেছে। 

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, এ বছর জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার ২৩৪টি। বিপরীতে খামারিদের কাছে প্রস্তুত রয়েছে ৩০ হাজার ৫৮৮টি পশু। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় ৩৫৪টি পশু বেশি রয়েছে।

জেলায় প্রস্তুত থাকা ৩০ হাজার ৫৮৮টি পশুর মধ্যে রয়েছে ৯ হাজার ৮০৮টি ষাঁড়, ৮ হাজার ৮৭০টি বলদ, ১ হাজার ৭৭৪টি গাভি, ১৩৯টি মহিষ, ৯ হাজার ৯৬৫টি ছাগল এবং ৩২টি ভেড়া।


পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলায় মোট খামারের সংখ্যা ১ হাজার ৫৩৫টি। এর মধ্যে ১৬৩টি নিবন্ধিত এবং ১ হাজার ৩৭২টি অনিবন্ধিত। 

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নীরোদ বরণ জয়ধর বলেন, ‘ঝালকাঠিতে দেশি গরু পালনে নীরব বিপ্লব ঘটেছে। খামারিরা বৈজ্ঞানিক ও প্রাকৃতিক উপায়ে পশু হৃষ্টপুষ্ট করছেন। জেলার ১ হাজার ৫৩৫টি খামার নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। কোরবানি উপলক্ষে পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম মাঠে কাজ করছে।’

স্থানীয় খামারিদের দাবি, অবৈধভাবে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ থাকলে তারা তাদের পরিশ্রমের ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং ভবিষ্যতে খামারের সংখ্যা আরও বাড়বে।

সময়ের আলো/জেডি 
  বিষয়:   ঝালকাঠি  কোরবানি  পশুর হাট 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: