নওগাঁর ধামইরহাটে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে লাগামহীনভাবে বেড়েছে মুরগির মাংস, মাছ ও সবজির দাম। এতে করে হাট-বাজার করতে এসে বিপাকে পড়ছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তরা। শুক্রবার দুপুরে নওগাঁর ধামইরহাটে সরেজমিন ঘুরে উপজেলার মঙ্গলবাড়ী, ফতেপুর ও আমায়তাড়া হাট-বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রশান্ত চক্রবর্তী বলেন, সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে কোনো বিক্রেতা যদি বেশি দামে পণ্য বিক্রি করেন এবং এমন তথ্য পেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সদর বাজারের সবজি ব্যবসায়ী ইউসুফ বলেন, লাগাতার বৃষ্টির কারণে সবজির অনেক ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে কমে গেছে আমদানি। বেড়ে গেছে দাম।
আরও পড়ুন
ক্রেতা আনিস বলেন, হাট-বাজারে আলু, বেগুন, পেঁয়াজ, মরিচ, মাছ, মাংস, ডিমসহ অতি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে। অথচ দেখার কেউ নেই।
গত সপ্তাহ থেকে বেড়ে যাওয়া কাঁচা বাজারের মধ্যে করলা ৮০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে কেনাবেচা হচ্ছে ১০০ টাকা, ফুল কপি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পটোল ৪০ থেকে বেড়ে ৮০ টাকা, মুলা ৪০ থেকে ৮০ টাকা, লাউ ৩০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা, আলু ২০ থেকে বেড়ে ৩০ টাকা এবং বেগুন ৬০ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ টাকা। তবে শসার দাম ৮০ টাকা থেকে কমে ৪০ টাকা কেজি দরে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে।
এ ছাড়া মাংসের মধ্যে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে হয়েছে ১৭০ টাকা, দেশি মুরগি ৫০০ থেকে বেড়ে ৬০০ টাকায় কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। তবে পাকিস্তানি (সোনালি) জাতের মুরগি ৩৫০ থেকে কমে হয়েছে ৩৪০ টাকা, কক জাতের মুরগির দাম ৩০০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৭০ টাকা এবং ডিমপাড়া লেয়ার জাতের মুরগির মাংসের দাম ৩৩০ থেকে বেড়ে ৩৭০ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।
মাছের বাজারেও এমন চিত্র দেখা গেছে। এগুলোর মধ্যে রুই মাছ ২৫০ টাকা থেকে ২৭০, কাতলা ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা, চাষ করা কই ১৮০ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০ টাকা, পাঙাশ ১৬০ থেকে বেড়ে ১৯০ টাকা ও মাগুর মাছ ৪৫০ টাকা থেকে ৫০০ ও শিং মাছ গত সপ্তাহে ৩৫০ থেকে বেড়ে ৪০০ টাকা কেজি দরে হাট-বাজারে কেনাবেচা হচ্ছে।
এএডি/