ইসলামি শরিয়তে হালাল ও হারামের বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষের জন্য সব পবিত্র ও উপকারি বস্তু হালাল করেছেন এবং ক্ষতিকর ও অপবিত্র বিষয়গুলো হারাম করেছেন। তাই দৈনন্দিন জীবনে আমরা যেসব হালাল পশুর, যেমন গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ার গোশত খাই, সেগুলোর ক্ষেত্রেও কিছু নির্দিষ্ট অংশ রয়েছে যা খাওয়া নিষিদ্ধ।
বিশেষভাবে কোরবানির সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রায়ই উপেক্ষিত হয়, গোশতের পাশাপাশি অনেকেই পশুর এমন কিছু অংশও বিতরণ করেন, যেগুলো শরিয়তের দৃষ্টিতে খাওয়া হারাম। এই বিষয়ে সচেতন না হলে অজান্তেই হারাম কাজে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
যেসব অংশ খাওয়া হারাম
১. জবাইয়ের সময় শরীর থেকে বের হওয়া রক্ত সম্পূর্ণভাবে হারাম।
২. নর ও মাদি, উভয় পশুর লজ্জাস্থান খাওয়া নিষিদ্ধ।
৩. পুরুষ পশুর অণ্ডকোষ খাওয়া বৈধ নয়।
৪. প্রস্রাব জমা থাকে যে থলিতে, সেটি খাওয়া যাবে না।
৫. যকৃতের সাথে থাকা পিত্ত ও পিত্তথলি খাওয়া নিষিদ্ধ।
৬. যেসব বড় রগের মাধ্যমে রক্ত চলাচল করে, সেগুলো আলাদা করে খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
নাড়িভুঁড়ি ও চামড়া খাওয়া যাবে কি
অনেকে নাড়িভুঁড়ি ও চামড়া খাওয়া নিয়ে দ্বিধায় থাকেন। এটি খাওয়া জায়েয। তবে ভেতরের সব ময়লা ও অপবিত্র অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করে রান্না করতে হবে। এর পাশাপাশি শরিয়তে চামড়া খাওয়াকেও নিষিদ্ধ করা হয়নি। তাই এটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রান্না করে খাওয়া বৈধ।
/এসএকে