পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে নগরীর কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল থেকেই সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সিসিক সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে নিয়মিত কর্মীদের পাশাপাশি অতিরিক্ত সংখ্যক পরিচ্ছন্নতা কর্মী মাঠে নামানো হয়েছে। সকাল থেকেই পশুর হাটগুলো পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়। পরে কোরবানি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে পশুর বর্জ্য অপসারণের কার্যক্রম জোরদার করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সিসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নগরীর বিভিন্ন মোড় ও সড়কে ছড়িয়ে থাকা বর্জ্য দ্রুত ট্রাকে তুলে অপসারণ করছেন। শুধু বর্জ্য অপসারণই নয়, প্রতিটি স্থান পানি ও ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ধুয়ে জীবাণুমুক্তও করা হচ্ছে, যাতে দুর্গন্ধ ও জীবাণুর বিস্তার রোধ করা যায়।
এ বিষয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল একলিম আবেদীন (অব.) বলেন, ‘আমরা ৮ ঘণ্টার মধ্যে পুরো নগরী পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি প্রতিটি স্পট জীবাণুমুক্ত করতে পানি ও ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নগরবাসীকে একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর নগরী উপহার দিতে আমরা প্রস্তুত।’
এদিকে সিসিক প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোরবানির বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাজে সহযোগিতা করতে হবে। নগরী পরিষ্কার রাখতে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
/এসএকে