ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কোরবানির পশুর চামড়া রাখাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধ ভয়াবহ সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া উত্তেজনা রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সহিংসতায় গড়ায়। দেশীয় অস্ত্র ও টর্চলাইটের আলো ব্যবহার করে চলা ওই সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়ভাবে বাঘার বাড়ি গোষ্ঠী ও শরিয়ত উল্লাহ গোষ্ঠীর লোকজন এই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন বিকেলে গ্রামের একটি দোকানের সামনে কোরবানির পশুর চামড়া রাখাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। চামড়ার রক্ত দোকানের সামনে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে আপত্তি জানান স্থানীয় এক ব্যক্তি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাগবিতণ্ডা, পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন
এর জের ধরে রাত ১০টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে আহতদের বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আশুগঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে সংঘর্ষে জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এএডি/