গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাঝিগাতী এলাকায় প্রেমিককে ফোন করে বাড়িতে ডেকে আনার পর স্বামীর নেতৃত্বে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক গৃহবধূর পরিবারের বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন যুবককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
শুক্রবার (২৯ মে) সকাল থেকে দুপুরের মাঝে এ ঘটনা ঘটে।
সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পালেরচর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে তরিকুল ইসলামের সঙ্গে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার এক তরুণীর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে ওই তরুণীর বিয়ে হয় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাঝিগাতী গ্রামের রশীদ ইবরাহীমের সঙ্গে।
অভিযোগ রয়েছে, ঈদের দিন সকালে গৃহবধূ তরিকুল ইসলামকে ফোন করে তাকে নিয়ে যেতে বলেন। পরে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তরিকুল ইসলাম তার দুই বন্ধু শাহীন শেখ ও অপু কুণ্ডুকে সঙ্গে নিয়ে মাঝিগাতী গ্রামে যান।
তারা সেখানে পৌঁছানোর পর গৃহবধূর স্বামী রশীদ ইবরাহীম স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। পরে তিনজনকে ভবানীপুর মাদ্রাসার একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়।
ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে মাদ্রাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে তিন যুবককে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে আসে।
তরিকুল ইসলাম দাবি করেন, ‘চার বছর ধরে আমাদের সম্পর্ক। সে আমাকে ফোন করে নিয়ে যেতে বলেছিল। সেখানে গেলে আমাদের মারধর করে আটকে রাখা হয়।’
অন্যদিকে ওই গৃহবধূও জানান, তিনিই তরিকুল ইসলামকে আসতে বলেছিলেন। পরে তার স্বামী লোকজন নিয়ে হামলা চালিয়ে তাদের মাদ্রাসায় আটকে রাখেন।
গোপালগঞ্জ সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা নয়ন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
/এসএকে