কোরবানি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা আল্লাহ তাআলার নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। এটি কেবল একটি পশু জবাইয়ের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এতে রয়েছে ত্যাগ, আনুগত্য এবং তাকওয়ার গভীর শিক্ষা। সামর্থ্যবান মুসলিম নর-নারীর ওপর কোরবানি ওয়াজিব করা হয়েছে, যাতে তারা আল্লাহর আদেশ পালনের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জন করতে পারে।
অনেক সময় বিভিন্ন কারণে কেউ ঈদের প্রথম দিনে কোরবানি আদায় করতে পারেন না। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী কোরবানির নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোরবানি করা বৈধ। অর্থাৎ ঈদের দিনসহ পরবর্তী দুই দিন— মোট তিন দিনের মধ্যে কোরবানি আদায় করা যায়। তাই কেউ প্রথম দিনে না পারলেও পরবর্তী দিনগুলোতে কোরবানি আদায় করলে ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে।
কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা হলো আল্লাহর হুকুমের সামনে নিজেকে সমর্পণ করা এবং অন্তরে তাকওয়া ও আত্মত্যাগের মানসিকতা গড়ে তোলা। তাই সময়সীমার মধ্যে সঠিক নিয়ত ও আন্তরিকতার সঙ্গে কোরবানি আদায় করাই প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের দায়িত্ব।
সূত্র : মাজমাউয যাওয়াইদ ৪/২২, আদ্দুররুল মুখতার ৬/৩২০
/এসএকে