ইরান সংকট নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার জাতীয় নিরাপত্তা দলের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষ হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে রহস্যজনক নীরবতা অবলম্বন করছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের বিখ্যাত ‘সিচুয়েশন রুম’-এ দীর্ঘ দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই বৈঠক শেষ হওয়ার বেশ কয়েক ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো স্পষ্ট ঘোষণা বা ইঙ্গিত দেননি।
বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এক বিবৃতিতে জানান, সিচুয়েশন রুমের বৈঠকটি সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী ছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কেবল এমন একটি চুক্তিতেই সই করবেন, যা আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করবে এবং তার ঘোষিত ‘রেডলাইন’ বা চূড়ান্ত শর্তগুলোর পরিপূরক হবে। ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।
এর আগে, আজ সকালে বৈঠক শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এই জরুরি সভার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি স্পষ্ট করে বলেন, চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি সম্ভাব্য চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে ইরানের বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নেওয়ার লক্ষ্যেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি তেহরানের সামনে বেশ কিছু কঠোর শর্তও জুড়ে দেন, যা চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ইরানকে অবশ্যই মেনে নিতে হবে।
সিঙ্গাপুরের ‘শাংরি-লা ডায়ালগ’-এ মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হগসেথ যখন ইরানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু করার ব্যাপারে আমেরিকার ‘মহাপ্রস্তুতি’র কথা জানান দিচ্ছেন, ঠিক তার কয়েক ঘণ্টার মাথায় ওয়াশিংটনে এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।
/কহু