কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জেরে জুবায়ের (২৮) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তারই ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৯ মে) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার কোদালিয়া চৌরাস্তা থেকে হোসেনপুর সড়কের শৈলজানী বিলাস ফিশারির পাশে একটি কালভার্টের ওপর থেকে জুবায়েরের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জুবায়ের পাকুন্দিয়া উপজেলা-এর সুখিয়া ইউনিয়নের চরপলাশ এলাকার খালেক মাস্টারের বাড়ির মো. আলতাফ উদ্দিনের ছেলে। তিনি পোল্ট্রি ব্যবসার পাশাপাশি ছোটখাটো দোকানে মনোহারি পণ্য বিক্রির সেলসম্যান হিসেবেও কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলের আশপাশের পথচারীরা কালভার্টের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় জুবায়েরকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় জুবায়েরের ব্যবসায়িক অংশীদার রানা (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তিনি একই এলাকার মোড়লপাড়ার ফিরোজ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর রাতেই রানা পার্শ্ববর্তী হোসেনপুর উপজেলা-এর সাহেদল এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা তাকে আটকে রাখেন। পরে শনিবার সকালে তাকে নিজ এলাকায় ফিরিয়ে আনা হয় এবং পুলিশে খবর দেওয়া হলে তাকে হেফাজতে নেয় পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার পরিহিত শার্টে রক্তের দাগ পাওয়া গেছে এবং সেটি জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রটি পাশের একটি জমি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পাকুন্দিয়া থানার ওসি (তদন্ত) খোকন চন্দ্র সরকার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যার কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
/এসএকে