সাতক্ষীরায় ওহিদা সুলতানা শিমু (৪০) নামের এক বিধবা নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত ওহিদা সুলতানা শিমু পুরাতন সাতক্ষীরার মিয়ারাজ হোসেনের মেয়ে।
নিহতের বড় বোন রাবেয়া সুলতানা জানান, তারা পাঁচ বোন ও এক ভাই। ২০০৭ সালে শহরের সুলতানপুর এলাকার সাংবাদিক আহসানের সঙ্গে শিমুর বিয়ে হয়। বিয়ের তিন মাস পর স্বামী আহসান গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শিমু বড় বোন রাবেয়ার সঙ্গে একই ঘরে বসবাস করতেন।
তিনি আরও জানান, পৈতৃক সূত্রে পাওয়া একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাড়া দিয়ে তিনি সংসার চালাতেন। দুই মাস আগে সেটি বিক্রি করেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে ডাকতে গিয়ে ঘরের ভেতরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। মরদেহে দুই কনুই ও পেটের ওপরের অংশের চামড়া উঠে যাওয়ার চিহ্ন ছিল।
তবে স্থানীয়রা জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর শিমু বড় বোনের কাছে থাকলেও তিনি অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করতেন এবং নেশাজাতীয় ইনজেকশন গ্রহণ করতেন। মরদেহে দুর্গন্ধ থাকায় তাদের ধারণা, দুই থেকে তিন দিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।
আরবিএন