ইসরায়েলের ‘নেভাটিম ও তেল নোফ’ বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পরই পুরো ইরান জুড়ে আনন্দ-উল্লাস শুরু হয়েছে। রাজধানী তেহরানসহ দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে মধ্যরাতেই হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এসে এই সামরিক পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের ফিলিস্তিন স্কয়ার, পবিত্র নগরী কোম এবং কুর্দিস্তান প্রদেশের সানান্দাজ শহরের রাস্তায় নেমে আসেন সাধারণ নাগরিকরা। তারা আইআরজিসির এই দ্রুত ও জুতসই জবাবের প্রশংসা করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীরা ইরানের জাতীয় পতাকা, প্রতিরোধ অক্ষের প্রতীক এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর পতাকা হাতে নিয়ে ‘ইসরায়েল নিপাত যাক, আমেরিকা নিপাত যাক’ বলে স্লোগান দেন। অনেককে আবার বাজি ফুটিয়ে এবং মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
ইরানের সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত ঢল মূলত গত রোববার বৈরুতের দাহিয়াহ এলাকায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর নজিরবিহীন বোমাবর্ষণের প্রতিক্রিয়া। মার্কিন মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তার মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু ইসরায়েল সেই চুক্তিকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে বৈরুতে ভয়াবহ হামলা চালালে তেহরান তার পূর্বঘোষিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সোমবার সকালে ইসরায়েলের বুকে ঝাঁকে ঝাঁকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
/কহু