মমতাকে জাতীয় সহ-সভাপতি ও অভিষেককে সাধারণ সম্পাদক পদের প্রস্তাব কংগ্রেসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

তৃণমূল কংগ্রেসে তীব্র অভ্যন্তরীণ সংকট ও ভাঙনের খবরের মধ্যে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দলটির সঙ্গে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমঝোতা বা একত্রীকরণের ইঙ্গিত

2026-06-10T22:07:00+00:00
2026-06-10T22:07:00+00:00
 
  বুধবার, ১০ জুন ২০২৬,
২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আন্তর্জাতিক
মমতাকে জাতীয় সহ-সভাপতি ও অভিষেককে সাধারণ সম্পাদক পদের প্রস্তাব কংগ্রেসের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম   (ভিজিট : ০)
মমতাকে জাতীয় সহ-সভাপতির প্রস্তাব কংগ্রেসসের। সংগৃহীত ছবি
তৃণমূল কংগ্রেসে তীব্র অভ্যন্তরীণ সংকট ও ভাঙনের খবরের মধ্যে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দলটির সঙ্গে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমঝোতা বা একত্রীকরণের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে জানা যাচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি অনুযায়ী, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে কংগ্রেসে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। একই সঙ্গে, দলীয় কাঠামোয় তাকে ‘জাতীয় সহ-সভাপতি’ পদ এবং তার ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘জাতীয় সাধারণ সম্পাদক’ পদ দেওয়ার প্রস্তাবও নাকি আলোচনায় এসেছে।

এর বিপরীতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পক্ষ থেকে কিছু শর্ত উত্থাপিত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে রাজ্যসভায় বিরোধী দলনেতার পদসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক ভূমিকা। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব—সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী—এই সম্ভাব্য রাজনৈতিক পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দলের বহু সংসদ সদস্য এবং বিধায়কের একটি অংশ দলত্যাগ বা বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যার ফলে দলটির অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও সংগঠন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে কংগ্রেস রাজনৈতিক শক্তি পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে বলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত।


বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের ভেতরের এই সংকট কংগ্রেসের জন্য একটি কৌশলগত সুযোগ তৈরি করতে পারে। সম্ভাব্য একত্রীকরণ বা বৃহত্তর জোট হলে সংসদীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের অবস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হতে পারে, বিশেষ করে লোকসভা ও রাজ্যসভা—উভয় কক্ষেই আসন সংখ্যা বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

অন্যদিকে, রাজনৈতিক ইতিহাসের দিক থেকেও বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল কংগ্রেস ঘরানার ছাত্র রাজনীতি থেকে এবং পরবর্তীতে তিনি কংগ্রেস সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৯৮ সালে দল ভেঙে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন। সেই প্রেক্ষিতে এই সম্ভাব্য সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে তা তার রাজনৈতিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ ‘ফিরে আসা’র ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

তবে এখন পর্যন্ত এই পুরো বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস বা তৃণমূল কংগ্রেস—কোনো পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য দেওয়া হয়নি। ফলে বিষয়টি মূলত রাজনৈতিক গুঞ্জন ও জল্পনার পর্যায়ে রয়েছে, যদিও এটি জাতীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।



/ইউএমএইচ




  বিষয়:   কংগ্রেস  মমতা  অভিষেক  ভারত 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: