কক্সবাজারের মহেশখালীতে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহকারী একটি ভাসমান টার্মিনালে (এফএসআরইউ) জরুরি রক্ষণাবেক্ষণকাজ শুরু হওয়ায় সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এর প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। অনেক এলাকায় রান্নার চুলা স্বাভাবিকভাবে জ্বলছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (১৩ জুন) তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এলএনজি সরবরাহের একটি ভাসমান টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণকাজ চলমান থাকায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে। ফলে তিতাসের আওতাধীন এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও সিএনজিসহ সব শ্রেণির গ্রাহক শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত গ্যাসের স্বল্পচাপের সম্মুখীন হতে পারেন।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, দেশে আগে থেকেই গ্যাসের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম রয়েছে। মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন ৯৫ থেকে ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি পুনর্গ্যাসীকরণ করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে একটি টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণকাজ শুরু হওয়ায় সরবরাহ প্রায় ১০ কোটি ঘনফুট কমিয়ে ৮৫ কোটি ঘনফুটে নামিয়ে আনা হয়েছে।
তিতাস গ্যাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক এলাকায় গ্যাসের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকতে পারে। এতে আবাসিক গ্রাহকদের রান্নার কাজে বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোও সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস। সংস্থাটি জানিয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণকাজ শেষ হলে শনিবার রাত থেকেই এলএনজি সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরতে শুরু করবে এবং গ্যাসের চাপও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
আরবিএন