সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চাম্পাফুল ইউনিয়নের ঘুষুড়ি গ্রামে শিশু নির্যাতন চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় অভিজিৎ নামে স্থানীয় এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় কালিগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, পাটকেলঘাটা থানার চোমরখালী এলাকার প্রদীপ কুমার ঘোষ দীর্ঘ প্রায় ১৩ বছর ধরে চাম্পাফুল ইউনিয়নের ঘুষুড়ি গ্রামে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন। তিনি তার স্ত্রী তন্দ্রা রানী ঘোষ (৪২), ছেলে প্রত্যয় (১৮) ও মেয়ে প্রত্যাশা (৫) কে নিয়ে স্থানীয় বিশ্বনাথ দে’র বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ০৫ এপ্রিল দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টায় শিশু প্রত্যাশা তার মায়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের পুকুরে স্নান করতে যায়। এ সময় একই গ্রামের বাসিন্দা অভিজিৎও (২৩) সেই পুকুরে স্নান করছিলেন। পরবর্তীতে শিশুটির মা মেয়েকে রেখে বাড়ি চলে যান। কিছুক্ষণ পর শিশুটির চিৎকার শুনে তার মা পুকুর ঘাটে গিয়ে দেখতে পান, অভিজিৎ সেখান থেকে চলে যাচ্ছে। পরে শিশুটির কাছে জানতে চাইলে, সে ঘটনার বিষয়ে তার মাকে জানায়।
ঘটনাটি প্রথমে লোকলজ্জার ভয়ে গোপন রাখা হয়। পরে এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারের পক্ষ থেকে কালিগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করা হলে পুলিশ মামলা রুজু করে।
মামলা দায়েরের পর অভিজিৎকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জুয়েল হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।’
/মহু