
প্রথমার্ধে অবশ্য ফ্রান্সকে চেনাই যাচ্ছিল না। তাদের আক্রমণে ছিল না ধার, মাঝমাঠে ছিল সমন্বয়ের অভাব। ধীরগতির ও এলোমেলো ফুটবলে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে তেমন কোনো পরীক্ষার মুখেও ফেলতে পারেনি তারা।
তবে বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ডি-বক্সে সাদিও মানের ট্যাকলে কিলিয়ান এমবাপে পড়ে গেলেও পেনাল্টি না পাওয়ার মুহূর্তটিই যেন ফ্রান্সকে জাগিয়ে তোলে। এরপর ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় তারা।
সেনেগালের অধিনায়ক মানেকে সেই ভুলের মূল্যও দিতে হয়েছে দ্রুতই। মাইকেল অলিসের দারুণ এক থ্রু বল ধরে গতির ঝড় তোলেন এমবাপে। এরপর এগিয়ে আসা গোলরক্ষক এদুয়ার মেন্দির মাথার ওপর দিয়ে নিখুঁত চিপ শটে বল জালে পাঠিয়ে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন তিনি।
ফ্রান্সের আক্রমণের ধার তখন আরও বেড়ে যায়। বদলি হিসেবে মাঠে নামার দুই মিনিটও পার হয়নি, এরই মধ্যে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা।
শেষদিকে ইব্রাহিম এমবায়ের গোলে একটি গোল শোধ করে সেনেগাল। কিন্তু ততক্ষণে ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে গেছে তাদের। কারণ এর আগেই প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া দুর্দান্ত এক দূরপাল্লার শটে নিজের দ্বিতীয় গোল পূর্ণ করেন এমবাপে, আর তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় ফ্রান্সের জয়।