ফক্সবরো স্টেডিয়ামে ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘আই’-এর ম্যাচে ইরাককে ৪-১ গোলে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছে নরওয়ে। দলের সবচেয়ে বড় তারকা আর্লিং হালান্ড জোড়া গোল করে জয়ের পথ তৈরি করে দেন। পরে লিও স্কিরি অস্টিগার্ড ও বদলি খেলোয়াড়ের যোগ করা আরেকটি গোলে বড় জয় নিশ্চিত করে ইউরোপের দলটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নরওয়ে। প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালায় তারা। সেই চাপের ফলও আসে দ্রুত। বাঁ প্রান্ত দিয়ে উঠে আসা ডেভিড মোলার উলফের নিখুঁত ক্রসে কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন হালান্ড। বিশ্বকাপ অভিষেক ম্যাচেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা স্ট্রাইকার।
তবে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি ইরাক। ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে এসে তারা নরওয়ের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। ৩৯ মিনিটে বাঁ দিক থেকে ভেসে আসা ক্রসে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে সমতা ফেরান আইমেন হুসেইন। তার গোলে ম্যাচে ফেরে এশিয়ার প্রতিনিধিরা।
কিন্তু ইরাকের সেই উচ্ছ্বাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার মাত্র চার মিনিট আগে আবারও এগিয়ে যায় নরওয়ে। রক্ষণভাগের ভুলে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে বিপদে পড়ে ইরাক। গোলরক্ষক জালাল হাসানের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হালান্ড। প্রথমার্ধ শেষ হয় নরওয়ের ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে।
বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় ইরাক। কিন্তু নরওয়ের সংগঠিত রক্ষণ এবং মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ তাদের সেই চেষ্টা বারবার ব্যর্থ করে দেয়। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের নেতৃত্বে আক্রমণে ধার বাড়াতে থাকে ইউরোপীয়রা।
শেষ পর্যন্ত ৭৬ মিনিটে সেট-পিস থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন লিও স্কিরি অস্টিগার্ড। তার গোলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে জয়ের ভিত আরও শক্ত করে নরওয়ে। ম্যাচের শেষ দিকে আরও একটি গোল যোগ করে তারা, ফলে বড় ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দলটি।
/এসএকে