স্নেহা সেনগুপ্ত : মুকুটের পথে ৩১ বছরের যাত্রা

প্রভা নাওয়ার

ফিচার

স্নেহা সেনগুপ্ত। মাত্র ৬ বছর বয়সে টেলিভিশনের পর্দায় দেখেছিলেন সুস্মিতা সেনকে। এক বাঙালি মেয়ের বিশ্বজয়ের সেই মুহূর্ত তার শিশুমনে এত

2026-06-18T18:36:31+00:00
2026-06-20T14:38:01+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
ফিচার
স্নেহা সেনগুপ্ত : মুকুটের পথে ৩১ বছরের যাত্রা
প্রভা নাওয়ার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম  আপডেট: ২০.০৬.২০২৬ ২:৩৮ পিএম
নিজেকে দেওয়া কথা রাখতে স্নেহা জয় করে নিয়েছেন মিসেস ইন্ডিয়ার মুকুট। গ্রাফিক : সময়ের আলো
স্নেহা সেনগুপ্ত। মাত্র ৬ বছর বয়সে টেলিভিশনের পর্দায় দেখেছিলেন সুস্মিতা সেনকে। এক বাঙালি মেয়ের বিশ্বজয়ের সেই মুহূর্ত তার শিশুমনে এত গভীরভাবে দাগ কেটেছিল যে নিজেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন- একদিন তিনিও সৌন্দর্য ও মেধার এমন এক মঞ্চে দাঁড়াবেন। অবশেষে, ২০২৬ সালে সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণতা পেল। তিনি জয় করে নিলেন ‘মিসেস ইন্ডিয়া কুইন অব সাবস্ট্যান্সের’ মুকুট। শৈশব থেকে শুরু করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার এই যাত্রা নিয়ে স্নেহা সেনগুপ্ত কথা বলেছেন সময়ের আলোর সঙ্গে।

মিসেস ইন্ডিয়া ফাইনালের মঞ্চে স্নেহা।

মিসেস ইন্ডিয়া ফাইনালের মঞ্চে স্নেহা।


মিসেস ইন্ডিয়া হয়ে ওঠার গল্প জানতে চাইলে স্নেহা বলেন, “এটা আমার কাছে বিরাট চ্যালেঞ্জ ছিল। ছোট বেলায় টিভির পর্দায় সুস্মিতা সেনকে দেখে নিজেকে যেই কথা দিয়েছিলাম, তা পূরণ করেছি। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কবিতা যদি উল্টে যায়, তা হলে এ ক্ষেত্রে হবে, '৩১ বছর কাটল, আমি কথা রেখেছি।' একটা কবিতা উৎসবের হোস্ট হিসেবে প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ‘মিসেস ইন্ডিয়া কুইন অফ সাবস্ট্যান্সের’ ডাক আসে। টেলিফোনে আমার অডিশন নিলেন মিসেস ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর ঋতিকা বিনয়। ১৭টি প্রশ্ন করেছিলেন। পরদিন ই-মেইল আসে, আমি ফাইনালিস্ট। শুরু হয় প্রস্তুতি। জিমে গিয়ে ও স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে চার মাসে ১৫ কেজি ওজন কমিয়েছি। সারা কলকাতা ঘুরে ভিডিও তৈরি করা, হিল পরে হাঁটা, বিশেষভাবে সক্ষম বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটানো- এমন আরও অনেক কাজ করেছি।”

মঞ্চে নিজেকে ভিন্ন রূপে উপস্থাপন করেন স্নেহা।

মঞ্চে নিজেকে ভিন্ন রূপে উপস্থাপন করেন স্নেহা।


খানিকটা থেমে আবার বললেন, ‘ফাইনাল প্রোগ্রামটা অনুষ্ঠিত হয় দিল্লিতে। মিসেস ইন্ডিয়ার ট্যালেন্ট রাউন্ডে ভরতনাট্যম, মণিপুরি, কালারিপাট্টু, ওড়িশি নাচের মিশ্রণে বিক্রম ঘোষের শিবের তাণ্ডবে পার্বতী সেজে নৃত্য পরিবেশন করি। নারী-পুরুষে ভেদাভেদ নেই- এই ছিল বার্তা। ট্র্যাডিশনাল রাউন্ডে লাল পাড় সাদা বেনারসীর সঙ্গে বিয়ের শোলার মুকুট পরে বরণ করি। একচালার মধ্যে বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছিলাম। নিজের জন্মস্থানের প্রতি আনুগত্য না থাকলে হাজার পুরস্কার পেলেও ফাঁক থেকে যায় আসলে। তারপর এপ্রিলের ১৮ তারিখ মাথায় ওঠে প্রাইড অফ ইস্টের মুকুট ও গুরুদায়িত্ব। সব মিলিয়ে মিসেস ইন্ডিয়া আমাকে নতুন পরিচিতি দিয়েছে। একটা বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়েছে জীবনের।’

বিজয়ীর মুকুট পাওয়ার মুহুর্ত।

বিজয়ীর মুকুট পাওয়ার মুহুর্ত।


মিসেস ইন্ডিয়া হওয়ার আগে স্নেহা দীর্ঘ ১৫ বছর সাংবাদিকতা করেছেন। কীভাবে এ পেশার প্রতি আগ্রহ তৈরি হলো, সে কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “সাংবাদিক হওয়ার বাসনা প্রথম হয়েছিল ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময়। ইতিহাসের দিদিমণি রত্নাবলী ঘোষ জিজ্ঞেস করেছিলেন সবাইকে, 'What do you want to become?' তখন বলেছিলাম, সাংবাদিক হতে চাই। এ কথা শুনে আমারই এক সহপাঠী অপমানের সুরে বলেছিল, 'তুই সাংবাদিক হবি, আয়নায় নিজেকে দেখেছিস কখনও?' এত অপমান কেউ কখনও করেনি। ৩ দিন আয়না দেখিনি। শব্দের ধার যে অস্ত্রের চেয়েও ধারালো, টের পেয়েছিলাম মাত্র ১২ বছর বয়সে। তারপর সময় পেড়িয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্যে (Comparative Literature) স্নাতক হয়ে সবে এম.এ পড়া শুরু করেছি একই বিষয়ে- এমন সময় খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দেখি- আনন্দবাজার শিক্ষানবিশ সাংবাদিক চাইছে। সেখানে কাজ করার সুযোগ পেয়ে গেলাম। আমি ছিলাম 'আনন্দমেলা' শিশুদের পত্রিকার সহ-সম্পাদক। সেই থেকে যাত্রা শুরু। তারপর ভারতের ৪ টি এগিয়ে থাকা সাংবাদমাধ্যমে কাজ করেছি- ইনাডু (হায়দরাবাদ-রামোজি ফিল্ম সিটি), ইটিভি ভারত, টিভি ৯ এবং এই সময়। বাংলা ভাষায় সাংবাদিকতা করেছি। এ এক পরম পাওয়া। আর হ্যাঁ, যে সহপাঠী আমাকে অপমান করেছিল, আজ সেই সহপাঠীই আমার সব সাফল্যে হাততালি দেয়। ভাগ্যের চক্র!”

মিসেস ইন্ডিয়ার যাত্রাটা স্নেহাকে অনেককিছু শিখিয়েছে।

মিসেস ইন্ডিয়ার যাত্রাটা স্নেহাকে অনেককিছু শিখিয়েছে।


আত্মবিশ্বাসী স্নেহা জীবনের মসৃণ পথ ছেড়ে বেছে নিয়েছিলেন বন্ধুর পথ। তার সেই সাহসী গল্প জানতে চাইলাম। তিনি বললেন, ‘আমার মা এবং দিদিমা ভয় পেতেন, রান্না ঘরে গেলে আমি পুড়ে যাব, গাড়ি চালালে নির্ঘাত পথে দুর্ঘটনা ঘটাব। তাই আমি লেখাপড়া ছাড়া কিছুই করিনি। ২৩ বছর বয়সে এসেও গ্যাস ধরাতে ভয় পেতাম, ভাত-মাছ কিছুই রাঁধতে জানতাম না। এগুলো না জানলে দশভূজা হব কী করে? একদিন হঠাৎ ঠিক করি, অনেক হয়েছে, এবার রাজ্য ত্যাগ করতে হবে। না হলে নিজের দায়িত্ব নিতে পারব না; মা-বাবার ওপর বোঝা হয়েই থেকে যাব। তখন আনন্দবাজারের চাকরি ছেড়ে হায়দ্রাবাদের রামোজি ফিল্ম সিটির ইনাডু (ইটিভি)-তে চাকরি নিয়ে বাবাকে জানালাম। এই সংবাদ পেয়ে বাবা নিশ্চুপ হয়ে গেলেন। আমি নাছোড় মেয়ে। বাবাকে ৬ মাসের মধ্যে চলে আসব বলে পাড়ি দিই তেলেঙ্গানায়। সে এক নতুন জীবনের সূত্রপাত। মা গিয়ে থেকেছিলেন প্রথম দুমাস। প্রথম প্রথম মাছ পুড়িয়ে, রুটি পুড়িয়ে খেয়েছি। কিন্তু পরবর্তীতে প্লাম্বারের কাজ ও ইলেক্ট্রিশিয়ানের কাজও শিখে গিয়েছিলাম।’

কান চলচ্চিত্র উৎসবে স্নেহা।

কান চলচ্চিত্র উৎসবে স্নেহা।


সংবাদমাধ্যমের ব্যস্ত জীবন স্নেহাকে পরিচিতি, অভিজ্ঞতা এবং সাফল্য দিয়েছে। তিনি কান-এর মতো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও সাংবাদিক হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। সাংবাদিকতার ১৫ বছরে ভারতের অসংখ্য তারকার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। কিন্তু এ পেশা একইসঙ্গে কেড়ে নিয়েছে তার নির্ভার জীবনযাপনের সুযোগ। এমনকি মেয়ের জন্মের দিনও অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার আগে অফিসের কাজ করেছিলেন। রাতের পর রাত জেগে কাজ, ব্রেকিং নিউজের প্রতিযোগিতা, অবিরাম দায়িত্ব- সবকিছুর মাঝেও নিজের স্বপ্নগুলোকে হারিয়ে যেতে দেননি তিনি। পরবর্তীতে কর্মজীবন থেকে কিছু সময়ের বিরতি নেন স্নেহা।

জানতে চাইলাম, ক্যারিয়ারে বিরতির পেছনে কোনও পরিকল্পনা আছে কি না? তিনি বললেন, ‘কথায় আছে, Once a reporter, always a reporter. সাংবাদিকের মন কখনও বদলায় না। আমিও বদলাইনি। কেবল নিজেকে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখে দাঁড় করিয়েছি। কী করতে পারি, কী হতে পারি, তা নিজেই পরখ করতে চেয়েছি। নতুন কিছু শুরু করার আগে একটু থেমে যাওয়া আরকী। সেই থেমে যাওয়া একমাত্র কন্যার কারণেও। ওকে সময় দিতে চেয়েছি। বিরতি নিয়ে দুমাস শুধু ঘুমিয়েছি। তারপর প্রথম উপন্যাস লেখার কাজ শুরু করেছি। কলকাতার আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসব ‘চেয়ার পোয়েট্রি ইভিনিংসের’ হোস্ট হিসেবে এবং মিসেস ইন্ডিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি।’


এত স্বপ্ন দেখার পেছনে কেউ অনুপ্রাণিত করেছিল? এ প্রশ্নের জবাবে স্নেহা বলেন, ‘সাংবাদিকতার জন্য আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন প্রণয় রায়, বরখা দত্ত। তা ছাড়া আমি বিখ্যাত দাদুদের নাতনি। পদ্মভূষণ উপাধি পাওয়া প্রফেসর সুবোধ চন্দ্র সেনগুপ্ত যেমন আমার দাদু, লোকসঙ্গীত শিল্পী কালী দাশগুপ্তও আমার দাদু। আমার মায়ের বাবা ড. তুষারকান্তি বক্সীগুপ্ত ৬০ বছর ডাক্তারি করে উত্তরবঙ্গ থেকে সিভিলিয়ান অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন। বিনাপয়সায় দরিদ্রসেবা করেছিলেন বলে নিজের উপার্জনে বাড়ি-গাড়ি কোনওটাই তার হয়নি। আমার নিজের ঠাকুরদা নীলমাধব সেনগুপ্ত নিজ উপার্জনে অর্জিত বিঘা বিঘা জমি দান করেছিলেন গ্রামীণ কল্যাণে। কিছু জমিতে তৈরি হয়েছে স্কুল, কিছু জমিতে বসেছে জলের পাম্প। এরা প্রত্যেকেই আমায় পথ দেখিয়েছেন।’

বিবাহিত হয়েও এতদূর এলেন জীবনে, কী কী প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হলো? স্নেহা বলেন, ‘বিবাহিত হওয়া এবং কিছু করতে না পারা- এমনভাবে দেখলে জীবন এগোবে না। প্রথমে স্বীকার করে নিতে হবে, আমি একজন স্বতন্ত্র ব্যক্তি। বুঝতে হবে এই পৃথিবীতে আমার কিছু কর্ম আছে। সেই কর্ম কেবলই সাংসারিক নাগপাশে আবদ্ধ নয়। জানালা খুলে আকাশ দেখা শুরু করতে হবে। তখন মনে হবে, অন্তহীন ব্রহ্মাণ্ডের তুলনায় আমি তুচ্ছ। ফলে প্রথমেই দর্প চূর্ণ হবে। যে মুহূর্তে তা চূর্ণ হবে, মনের মধ্যে জন্ম নেবে এক শিশু, যে প্রতি লহমায় চমৎকৃত হয়েই চলেছে। এই শিশুই হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে যাবে গন্তব্যে। শুরু থেকে শুরু করতে হবে প্রত্যেক অধ্যায়। প্রতিবন্ধকতাও আসবে। তবে শিশুরা যে ভয়হীন। তাই প্রতিবন্ধকতাও খণ্ডাবে। আমারও খণ্ডেছে। আরও খণ্ডাবে।’
   
নারীদের, বিশেষ করে বিবাহিত নারীদের উদ্দেশ্যে স্নেহা পরামর্শ দেন, ‘নিজেকে ভালোবাসো। নিজের জন্মের উদ্দেশ্য কী, তা খোঁজার চেষ্টা করো। বিয়ে কিংবা সন্তানের জননী হওয়া বাঁধন নয়, বাধাও নয়। এ এক পরিচিতি মাত্র। তুমি আসলে কে, তা তৈরি করবে তোমার কর্ম। নিজের সেই কর্মের প্রতি সততা ও নিষ্ঠা রেখো। জীবন হতাশ করবে না। পারলে শিক্ষা সম্পূর্ণ করো আর আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হও। তা হলেই অর্ধেক লড়াই জয় করতে পারবে।’


১৯৮৮ সালের ৩ নভেম্বর কলকাতার সেলিমপুরে জন্ম মিসেস ইন্ডিয়া খেতাবপ্রাপ্ত স্নেহা সেনগুপ্তর। যদিও পরিবারের শিকড় বাংলাদেশের বিক্রমপুরে। দেশভাগের পর পূর্বজরা কলকাতায় বসতি গড়েছিলেন। মা-বাবার একমাত্র সন্তান তিনি। ছোটবেলায় বাবাকে ভয় পেলেও, পরিণত বয়সে বুঝেছেন জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষাগুলোর অনেকটা তার কাছ থেকেই পাওয়া। তার বাবা তাকে বলেছিলেন, ‘আমি তোমাকে প্রয়োজনীয় সব কিছু উজাড় করে দেব, তবে শখের জীবন তোমাকেই উপার্জন করতে হবে।' বাবার এ কথা স্নেহার জীবনদর্শনের অংশ হয়ে যায়। সেই ছোট্টবেলায়ই তিনি বুঝেছিলেন, প্রত্যেক মেয়েরই নিজের পায়ে দাঁড়ানো আবশ্যক। প্রকৃত শিক্ষাই পারে সেই মাটি শক্ত করতে। তবে তিনি নিজের সাফল্যের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব দেন তার মাকে। মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়তে গিয়ে নিজের স্বপ্ন ও ইচ্ছাগুলো বিসর্জন দিয়েছেন বছরের পর বছর। টিউশনের গেটের বাইরে অপেক্ষা করা থেকে শুরু করে শিক্ষার প্রতি উৎসাহ জোগানো- সব ক্ষেত্রেই মেয়ের পাশে ছিলেন তিনি। মায়ের উৎসাহেই ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা সম্পন্ন করেছিলেন স্নেহা। মূলত মায়ের হাত ধরেই তৈরি হয়েছিল আত্মবিশ্বাসী এই তরুণীর ভিত।

স্নেহার এই সাফল্যের গল্প কেবল একটি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মুকুট জয়ের গল্প নয়; এটি এক নারীর আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায়, আত্মনির্ভরতা এবং নিজের পরিচয় খুঁজে পাওয়ার গল্প। যা আরও অনেক নারীর জন্য অনুপ্রেরণার।

সময়ের আলো/মহু



  বিষয়:   স্নেহা সেনগুপ্ত  মুকুট  মিসেস ইন্ডিয়া  কুইন অব সাবস্ট্যান্স  ভারত  সুন্দরী  প্রতিযোগিতা 


Loading...
Loading...
ফিচার- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: