যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক চুক্তির পর হরমূজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণায় বিশ্ববাজারে সাময়িক স্বস্তি ফিরলেও, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌচলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। বিশ্বখ্যাত বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জি’র শীর্ষ কর্মকর্তা রাহুল কাপুর এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।
কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাহুল কাপুর বলেন, মার্কিন-ইরান চুক্তির পর বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মাঝে একটি স্বস্তির ভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। গত দু-এক দিনে এই গুরুত্বপূর্ণ উপসাগরীয় জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে।
বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশই এই কৌশলগত হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই জলপথের বর্তমান পরিস্থিতির একটি চিত্র তুলে ধরে কাপুর বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আমরা অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী মিলিয়ে প্রায় ২৫টি জাহাজের আনাগোনা পর্যবেক্ষণ করেছি। তবে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এই সংখ্যাটি খুবই সামান্য।
তিনি উল্লেখ করেন, সাধারণ সময়ে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ১৩০টি বাণিজ্যিক জাহাজ এই প্রণালী দিয়ে পারাপার করে। সেই তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘ধীরগতির পুনরুদ্ধার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।
রাহুল কাপুর হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, খুবই ধীরলয়ে পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে। তবে হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল পুরোপুরি আগের রূপে অর্থাৎ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আরও কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।
সময়ের আলো/কহু