ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের ভরিলহাট নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার (২২ জুন) সকালে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মাদ্রাসা ছুটির পর অভিযুক্ত শিক্ষক আমির হোসেন উপহার দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে শরীরে আপত্তিকর কর স্থানে হাত দেয় ও অসৎ আচরণ করে। পরে ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার সকালে শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও স্থানীয়রা মাদ্রাসায় গিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করেন। এ সময় শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের চেষ্টা করলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় মাদ্রাসার সামনের কয়েকটি দোকানে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে একজন শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সময়ের আলো/আতা