চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে মোহাম্মদ নুরুল আলম (৪০) নামে এক যুবলীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ উঠলেও অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষ। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত নুরুল আলম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ইউনিয়নের মাস্টারবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার একটি মামলা দেখিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। পরিবারের দাবি, গ্রেফতারের সময় তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। কারাগারে যাওয়ার পর কী ঘটেছে তা তদন্ত করে বের করার দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিচারেরও দাবি জানান।
তবে পরিবারের অভিযোগ নাকচ করে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, আইনানুগ প্রক্রিয়ায় নুরুল আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। থানায় থাকাকালে তার ওপর কোনো ধরনের নির্যাতন করা হয়নি। আদালতে সোপর্দ করার সময়ও তিনি সুস্থ ছিলেন।
এদিকে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারাগারে আনার পর নুরুল আলম অসুস্থতা অনুভব করলে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে বুধবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সময়ের আলো/জোই