উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে গত ৪ দিন ধরে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে ওঠানামা করছে কুড়িগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমারের পানি। আজ থেকে শুরু হয়েছে নদী ভাঙন।
তবে, গত রাত থেকে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বুধবার (২৫ জুন) নদ নদীর পানি হ্রাস পেতে শুরু করেছে। প্রতিটি নদ নদীর পানি ৫ থেকে ১৫ সেন্টি মিটার পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। তবে, পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের ৩০ টি পয়েন্টে দেখা দিয়েছে ভাঙন। এতে বসতভিটা, গাছপালা, ফসলিজমিসহ বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হচ্ছে। অন্যদিকে, এখনও নদী এলাকার বিভিন্ন ফসলের মাঠ পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাচগাছি ইউনিয়নের শুলকুর বাজার এলাকার কৃষক জমশেদ আলী জানান, তার ১ বিঘা জমির পটলের খেত ধরলা নদীর পানিতে তলিয়ে আছে। দ্রুত পানি নেমে না গেলে ফসল পুরোটাই নষ্টের আশঙ্কা করছেন তিনি। ওই এলাকায় অনেকের আরও বিভিন্ন ফসল তলিয়ে আছে। তাই কৃষকরা দুশ্চিন্তায় দিশেহারা।
স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানান, পানি দ্রুত হ্রাস পেলে নিমজ্জিত ফসলের কোনো ক্ষতি হবে না। পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফসলের পরিচর্যা করার পরামর্শও দেন তারা।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম জানান, পানি হ্রাস পাওয়ার কারণে বন্যার আশঙ্কা কমে গেছে। বৃষ্টিপাত না হলে বন্যার সম্ভাবনা নেই। তবে তিনি এও স্বীকার করেন, ভাঙন রোধে জরুরি বরাদ্দ না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় ঠিক মতো কাজ করতে পারছেন না।
সময়ের আলো/মহু