ব্রিজ নির্মাণে ধীরগতি, লাখো মানুষের দুর্ভোগ

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

সারাদেশ

কর্ণফুলী নদীর শাখা খালের ওপর নির্মিত ফারিকুল ব্রিজের নির্মাণের কাজ ২০২১ সালে শুরু হলেও গেল কয়েক বছর ধরে আটকে আছে

2026-06-25T22:06:10+00:00
2026-06-25T22:11:26+00:00
 
  বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬,
২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
সারাদেশ
ব্রিজ নির্মাণে ধীরগতি, লাখো মানুষের দুর্ভোগ
রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:০৬ পিএম  আপডেট: ২৫.০৬.২০২৬ ১০:১১ পিএম
ছবি : সময়ের আলো
কর্ণফুলী নদীর শাখা খালের ওপর নির্মিত ফারিকুল ব্রিজের নির্মাণের কাজ ২০২১ সালে শুরু হলেও গেল কয়েক বছর ধরে আটকে আছে গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজের কাজ। ফলে বিষাদে রূপ নিয়েছে এই পথে চলাচলকারী ১০টি গ্রামের এক লাখের বেশি মানুষের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি কর্মকর্তা বলছেন ব্রিজের মাঝ অংশে কিছু জটিলতার কারণে কাজটি বন্ধ রয়েছে। তবে মন্ত্রণালয় থেকে সংশোধিত নতুন ডিজাইনের অনুমোদন হাতে এলে পুনরায় কাজ শুরু করবেন। এবং শিগগিরই ব্রিজের কাজ শেষ করে মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

জানা যায়, রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী, পূর্বগুজরা, বাগোয়ান ও কদলপুর ইউনিয়নের লাখো মানুষের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে  কর্ণফুলী নদীর শাখা খালের ওপর নির্মিত ফারিকুল ব্রিজটি। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত হওয়ার পর, বিগত সরকারের আমলে এটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

২০২১ সালে দরপত্র আহ্বানের পর ২০২২ সালের শেষের দিকে ৪ কোটি ৩৪ লাখ ৪৬ হাজার ৭৬৭ টাকা ব্যয়ে যৌথভাবে এ দিদার আলী অ্যান্ড মাজেদা জেবি এন্টারপ্রাইজ এর নির্মাণ কাজ শুরু করে। বর্তমানে সেতুর দুই পাড়ের কাঠামো দৃশ্যমান হলেও মাঝখানের অংশ ফাঁকা পড়ে আছে। মাটির নিচে শক্ত স্তর না থাকায় সেতুটির মাঝখানের স্ল্যাবের কাজ করা যাচ্ছে না। ফলে নির্ধারিত কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও নির্মাণ কাজ ঝুলে রয়েছ। 


স্থানীয়রা জানান, সেতুর কাজ শুরু হলে মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু গত ৩ বছর ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুর কাজ বন্ধ হওয়া ফলে তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন বিষাদে রূপ নিয়েছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছে চার ইউনিয়নের লাখেরও বেশি মানুষ।

রাউজান উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম জানান, মাঝখানের অংশের মাটি অত্যন্ত নরম হওয়ায় সেতুটির মূল ডিজাইনে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাটির নিচে ১৫-২০ ফুট পাইপ গেঁড়ে খুঁটির ওপর সাটারিং করে সাপোর্ট দিতে হবে। করণীয় নির্ধারণে প্রজেক্ট ডাইরেক্টর ইতোমধ্যে স্থানটি পরিদর্শন করেছেন। ডিজাইন পরিবর্তনের কারণে স্বাভাবিক নিয়মেই কাজের মেয়াদ বাড়ানো হবে এবং আগের ঠিকাদারই কাজটি শেষ করবেন।

১৮০ ফুটেরও বেশি দীর্ঘ এই ফারিকুল সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ হলে এলাকার ৮-১০টি গ্রামের যোগাযোগ ও শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

সময়ের আলো/আতা


  বিষয়:   ব্রিজ  নির্মাণ  ধীরগতি  মানুষ  দুর্ভোগ  রাউজান  চট্টগ্রাম 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: