৪২ বছর আগে প্রথম বড়পর্দায় এসেছিল অটো বাইন্ডার ও আল প্লাস্টিনোর সৃষ্টি করা চরিত্রটি। অর্থাৎ ১৯৮৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল প্রথম ‘সুপারগার্ল’। এটি বক্স অফিসে সফল না হওয়ায় নারী সুপারহিরোদের সিনেমার ভবিষ্যৎ একরকম অন্ধকারেই ঠেলে দিয়েছিল।
তবে দেরিতে হলেও আশার আলো জেগে উঠেছে আবার। পর্দায় আসছে নতুন ‘সুপারগার্ল’। ২৬ জুন আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ডিসি ইউনিভার্সের এই সিনেমা। ক্রেইগ গিলেস্পি পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন- মিলি অ্যালকক, ম্যাথিয়াস শোনার্টস, ইভ রিডলি, ডেভিড ক্রামহোল্টজ, এমিলি বিচাম, ডেভিড কোরেনসওয়েট ও জেসন মোমোয়া। আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই বাংলাদেশে মুক্তি পাবে ‘সুপারগার্ল’। প্রদর্শিত হবে স্টার সিনেপ্লেক্সে।
এবার সুপারগার্ল হিসেবে পর্দায় আসছেন মিলি অ্যালকক। ‘হাউস অব দ্য ড্রাগন’ সিরিজে কিশোরী টারগারিয়েন চরিত্রে অভিনয় করে যিনি আগেই নজর কেড়েছেন। এ সিনেমার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন কারা জোর-এল (সুপারগার্ল)। পৃথিবীতে বড় হওয়া সুপারম্যানের মতো সুখী শৈশব তার ছিল না।
তিনি ধ্বংসপ্রাপ্ত ক্রিপ্টনের একটি অংশে বড় হয়েছেন এবং নিজের চারপাশের মানুষের মৃত্যু দেখেছেন। ফলে তার চরিত্র অনেক বেশি কঠোর, ক্ষতবিক্ষত ও বাস্তববাদী। গল্পে কারা তার কুকুর ক্রিপ্টোকে নিয়ে মহাকাশে ভ্রমণ করতে গিয়ে রুথি নামের এক কিশোরীর সঙ্গে পরিচিত হন। রুথির পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে এক দস্যু নেতা।
এরপর সুপারগার্ল ও রুথি প্রতিশোধ এবং ন্যায়বিচারের সন্ধানে এক বিপজ্জনক আন্তঃগ্যালাক্টিক অভিযানে বের হয়। ভক্তদের সবচেয়ে বেশি আগ্রহের একটি কারণ হলো লোবো চরিত্রের লাইভ-অ্যাকশন অভিষেক।
এই মহাকাশ-ভাড়াটে শিকারি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসন মোমোয়া। ইতিমধ্যে সিনেমাটির ট্রেলার দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/কেএইচও