ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে একটি কন্টেইনার ট্রেনের ইঞ্জিনে অভিযান চালিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান পরিচালনা করেন র্যাব-৯-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিপিসি-১-এর সদস্যরা। এ সময় বস্তাভর্তি ১৬ কেজি গাঁজা ও এক বোতল ভারতীয় এসকফ সিরাপ উদ্ধার করেন তারা।
এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে ট্রেনের লোকোমাস্টার (চালক) শাহজাহানকে। তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে সহকারী লোকোমাস্টার পালিয়ে গেছেন।
র্যাব জানায়, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ‘৬০৩ আপ’ কন্টেইনার ট্রেনটি আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে পৌঁছালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাতে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব-৯ সিপিসি-১ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)-এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরুন্নবী বলেন, ‘আমাদের কাছে আগে থেকেই খবর ছিল যে ট্রেনটির ইঞ্জিনে মাদকদ্রব্য বহন করা হচ্ছে। ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছানোর পর আমরা প্রথমে তল্লাশির বিষয়ে চালককে অবহিত করি। এ সময় ইঞ্জিনে থাকা চালক (লোকোমাস্টার) শাহজাহান আমাদের তল্লাশিতে বাধা দেন। একপর্যায়ে তিনি র্যাব সদস্যদের ওপর উত্তেজিত হওয়ার চেষ্টা করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরে অতিরিক্ত সদস্য এনে ইঞ্জিনে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিকালে একটি বস্তার ভেতর থেকে ৮টি প্যাকেটে ১৬ কেজি গাঁজা ও এক বোতল এসকফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে রাত পৌনে ১টার দিকে নতুন একজন চালক দিয়ে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।’
অভিযান চলাকালে আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস, আখাউড়া রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং স্টেশন মাস্টার নুরুন্নবীসহ রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সময়ের আলো/এসএকে