জয়ের দুয়ারে দাঁড়িয়েও শেষ পর্যন্ত আর পারল না বাংলাদেশ। শেষ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫ রান। সেই সময়ে কঠিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দলের সেরা পেসার মারুফা আক্তারকে। তবে প্রথম বলেই চার হজম করে চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেন তিনি। পরের বলেই এক রান নিয়ে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন চার্লি ট্রায়ন।
তাতে আরেকটি লড়াকু পারফরম্যান্স উপহার দিয়েও নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশার হার সঙ্গী হলো নিগার সুলতানা জ্যোতির দলের।
লর্ডসে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১১৭ রান তোলে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৮ বলে ৪২ রান করেন সুবহানা মোস্তারি। শেষ দিকে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির ২০ বলে ঝড়ো ৩২ রানের ইনিংস দলকে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেয়। এ ছাড়া শারমিন আক্তার ২৯ বলে করেন ২২ রান। বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না।
ইনিংসের প্রথম বলেই জুয়াইরিয়া ফেরদৌস বোল্ড হন। আরেক ওপেনার তাজনেহারও করেন মাত্র ১ রান। ১১৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই লরা উলভার্টকে বোল্ড করে দারুণ সূচনা এনে দেন মারুফা আক্তার। এরপর নাহিদা আক্তারের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ম্যাচে টিকে ছিল বাংলাদেশ। তিনি ২৪ রানে নেন ২ উইকেট।
এ ছাড়া মারুফা, রিতু মনি ও সানজিদা আক্তার মেঘলা একটি করে উইকেট শিকার করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে আনেরিন ড্রেকসন ৪৫ বলে ৪৫ এবং তাজমিন ব্রিটস ২৪ বলে ২০ রান করেন। শেষ দিকে নাদান ডে ক্লার্কের ১৪ বলে ১৫ ও চার্লি ট্রায়নের অপরাজিত ৫ বলে ৮ রানে ভর করে ১৯.২ ওভারেই ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি