আগের চেয়ে অভিনয় কমিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী অহনা রহমান। সংখ্যা না বাড়িয়ে কেবল মানসম্মত কাজের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। অভিনয় করছেন চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে। নির্মাতারাও তার ওপর আস্থা রাখছেন। প্রচারে আসার পর অহনার নাটকগুলোও দর্শক মহলে সাড়া ফেলছে। সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে এই অভিনেত্রীর ৭টি নতুন নাটক। ভিন্ন গল্পের প্রতিটি চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন সাবলীলভাবে।
যার মধ্যে বিশেষত উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মাহমুদ হাসান রানার ‘জামাই কিছুই বোঝে না’ ও ‘জামাই বউয়ের তেলেসমাতি’, জিয়া উদ্দিন আলমের ‘অশান্তির সংসার’ ও ‘ভুল মানুষের ঘর’, জাকিউল ইসলাম রিপনের ‘নিয়তির খেলা’, মাহামুদ হাসান শিকদারের ‘বিলকিসের ভাতের হোটেল’ ও মহিন খানের ‘বউয়ের পতন’।
এর মধ্যে জাকিউল ইসলাম রিপনের ‘নিয়তির খেলা’ প্রকাশিত হয়েছে লেজার ভিশনের ইউটিউব চ্যানেলে এবং ‘বিলকিসের ভাতের হোটেল’ প্রকাশিত হয়েছে এটিএন বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে। বাকি দুটোও দেখা যাচ্ছে ইউটিউবে।
‘নিয়তির খেলা’র এক অনবদ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘বিলকিসের ভাতের হোটেল’-এ নামভূমিকায় অভিনয় করেছেন অহনা। অন্য নাটকগুলোতেও তিনি চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
অহনা রহমান বলেন, ‘চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে গুরুত্ব দিচ্ছি। এই ধরনের কাজ করতেই ভালো লাগে।’ চিত্রনাট্য বাছাই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আসলে আগে গল্পটা মনোযোগ দিয়ে শুনি। গল্প ভালো লাগলে নিজের চরিত্রটিও ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করি। কারণ আমার কাছে মনে হয় যে এই সময়ে এসে শুধু অভিনয় করার জন্য অভিনয় করে গেলাম, এমন অভিনয় করা আমার ঠিক হবে না। যেমন ‘নিয়তির খেলা’ নাটকে আমি চেষ্টা করেছি আমার চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে। পরিচালকও আমাকে ভীষণ সহযোগিতা করেছেন, অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।’
‘বিলকিসের ভাতের হোটেল’ নাটক প্রসঙ্গে অহনা বলেন, ‘এ নাটকের ক্ষেত্রেও তাই, আমার চরিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য আমি ভীষণ শ্রম দিয়েছি, কষ্ট করেছি। যেন নাটকটি প্রচারের পর নিজের অভিনীত চরিত্রটি নিয়ে দর্শকের মধ্যে ভালো লাগার সৃষ্টি হয়। নিয়তির খেলার জন্য আমি সেই রেসপন্সটা পাচ্ছি। বিলকিসের ভাতের হোটেলের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই। আমি ধন্যবাদ জানাই আমাকে নিয়ে যারা নিয়মিত কাজ করেন তাদের।’
সবশেষে এ অভিনেত্রী জানান, ‘আরেকটি কথা বলতে চাই, আমার সহশিল্পী কে হবেন এই বিষয় নিয়ে আমার কখনো কোনো মাথা ব্যথা নেই। পরিচালক যাকে ভালো মনে করেন, চরিত্রের জন্য মানানসই মনে করেন তাকে নিয়ে কাজ করবেন, এমনটাই আমার চাওয়া থাকে। আমি মন দিয়ে তার সঙ্গে কাজটি করি।’
সময়ের আলো/আআ