‘হায় খামেনি’ বলে কোটি মানুষের কান্নায় শেষ বিদায়, দেখুন সরাসরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য শুরু হয়েছে শুক্রবার থেকে। দেশজুড়ে

2026-07-04T18:50:39+00:00
2026-07-04T18:50:39+00:00
 
  শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬,
২০ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
‘হায় খামেনি’ বলে কোটি মানুষের কান্নায় শেষ বিদায়, দেখুন সরাসরি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫০ পিএম 
শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য। ছবি : সংগৃহীত
প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য শুরু হয়েছে শুক্রবার থেকে। দেশজুড়ে কয়েক দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ও শেষ বিদায়ের এই আয়োজনকে ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি যুগের সমাপ্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার (৪ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা কমপ্লেক্সে জাতীয় সংগীত, কোরআন তেলাওয়াত ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে চলছে শেষকৃত্য। সরাসরি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত দৃশ্যে দেখা যায়, ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির মরদেহ হাজারও শোকাহত মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছে। পরে তার মরদেহ কোম, ইরাকের নাজাফ ও কারবালা হয়ে ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি কে ছিলেন?

ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়ে দেশের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। তার মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সাল থেকে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাহলভি রাজতন্ত্রের অবসান ঘটানো ইসলামী বিপ্লবের আদর্শিক নেতা ছিলেন খোমেনি। অন্যদিকে সেই বিপ্লবের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামো গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন খামেনি।

খামেনির মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হয়েছেন তার ছেলে মোজতবা খামেনি। তার শাসনামলের শুরুতেই এত বড় রাষ্ট্রীয় আয়োজন হতে যাচ্ছে। যদিও সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি এখনও প্রকাশ্যে আসেননি।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শিয়া শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের প্রাক্কালে রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।

ইরাকের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সময় ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে তিনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন।

খামেনি ইরানের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করেন। পাশাপাশি বহির্বিশ্বের হুমকি মোকাবিলায় একটি উন্নত প্রতিরক্ষা কৌশল প্রতিষ্ঠা করেন। তার শাসনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ আসে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। সে সময় অর্থনৈতিক দুর্দশাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দেশব্যাপী অস্থিরতায় রূপ নেয়। পরে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় তিনি নিহত হন।


  বিষয়:   আয়াতুল্লাহ  আলি খামেনি  শেষ বিদায়  দেখুন সরাসরি 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: