রাজধানীর হাতিরঝিল মহানগর প্রজেক্ট এলাকার একটি মাদ্রাসায় তাহমিদুল ইসলাম (১০) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে মৃত্যুর আগে শিশুটি বলৎকারের শিকার হয়েছিল কি না, সে বিষয়টিও ময়নাতদন্তের মাধ্যমে জানার অনুরোধ করা হয়েছে।
শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে রামপুরা বেটার লাইফ হাসপাতাল থেকে হাতিরঝিল থানা পুলিশ ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
তাহমিদুল ইসলামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কাজিপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. শাহিন রেজা। বর্তমানে সে ওই মাদ্রাসাতেই থাকত।
হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুমন মিয়া জানান, হাতিরঝিল মহানগর প্রজেক্ট ২ নম্বর রোডের আল ফুরকান মসজিদ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল তাহমিদুল। সে মাদ্রাসার পঞ্চম তলায় থাকত। একই মাদ্রাসার শিক্ষক তার বাবা শাহিন রেজা।
এসআই সুমন মিয়া আরও জানান, তাহমিদুলের বাবার বরাত দিয়ে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে মাদ্রাসার পঞ্চম তলায় জানালার গ্রিলের সঙ্গে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস দেয় তাহমিদুল। পরে তার বাবাই তাকে রামপুরা বেটার লাইফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
এসআই জানান, শিশুটির গলায় কালো দাগ রয়েছে। শরীরে কোনো জখমের চিহ্ন নেই। তবে মৃত্যুর বিষয়টি সন্দেহজনক। মৃত্যুর আগে সে বলৎকারের শিকার হয়েছিল কি না, সে বিষয়টিও ময়নাতদন্তের মাধ্যমে চিকিৎসকদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ফোনে শিশুটির বাবা ও মাদ্রাসার শিক্ষক শাহিন রেজার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় জানার পর কল কেটে দেন।
সময়ের আলো/আরবিএন