মেহেরপুরের গাংনীর মুন্দা গ্রামে স্বর্ণ চুরির অভিযোগে আলাল শেখ (২২) নামে টাইলস্ মিস্ত্রিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৬ জুলাই) রাতে গাংনী থানা পুলিশের একটি টিম তাকে কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। সেই সঙ্গে চুরি যাওয়া অলংকার অন্য আসামি মোমিন খানের (৩৬) শ্বশুর বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার কলেজপাড়া থেকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আলাল শেখ কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, মুন্দা গ্রামের বাসিন্দা শাহীন কুয়েত প্রবাসী। বাড়িতে থাকেন তার বৃদ্ধা মা নার্গিস বানু ও দুই বোন। নিরাপত্তার স্বার্থে নার্গিস বানু তার এবং দুই মেয়ের ব্যবহৃত সোনার গয়না, নেকলেস, চুড়ি, কানের দুল, চেইন, আংটিসহ মোট ১১ ভরি ১৪ আনা ওজনের অলংকার একটি প্লাস্টিকের কৌটায় ভরে পলিথিনে মুড়িয়ে ঘরের সিঁড়ির পূর্ব পাশের মাটির নিচে লুকিয়ে রাখেন।
সম্প্রতি বাড়িতে ৫ জন টাইলস্ মিস্ত্রি কাজ শুরু করেন। ৫ জুলাই বিকেলে মিস্ত্রিরা চলে যাওয়ার পর নার্গিস বানু দেখেন মাটির নিচে রাখা গয়না নেই। বিষয়টি ছেলেকে জানালে তিনি বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে জানতে পারেন, কাজ করার সময় এক মিস্ত্রি মাটি খুঁড়ে গয়না পেয়ে আরেকজনকে দেন, এরপর দুজন মিলে তা নিয়ে চলে যান। ফুটেজ দেখে স্থানীয়রা কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাসিন্দা মোমিন খান ও আলালকে শনাক্ত করেন।
এ ব্যাপারে নার্গিস বানু গাংনী থানায় মামলা দায়ের করেন। গাংনী থানা ও বামন্দী পুলিশ ক্যাম্প যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে আলাল শেখকে গ্রেফতার করে এবং তার তথ্যের ভিত্তিতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পলাতক মোমিন খানের শ্বশুরবাড়ি থেকে চুরি যাওয়া গয়না উদ্ধার করে।
গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, অন্য আসামি মোমিন খানকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সময়ের আলো/মহু