সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে এক বিশ্লেষক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই একে অপরের ওপর চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিপক্ষের সীমারেখা কোথায়, তা যাচাই করার চেষ্টা করছে।
কাতারের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক পল মাসগ্রেভ বলেন, দুই দেশই মূলত বলতে চাইছে—‘আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এটি এবং এ কারণেই আমাদের একটি চুক্তি প্রয়োজন।’ আর সে কারণেই আপনি দেখছেন, উভয় পক্ষের হুমকির মাত্রা বাড়ছে।
তিনি আরও বলেন, বাস্তবে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে— যেমন কিছু নিষেধাজ্ঞা-সংক্রান্ত ছাড় অব্যাহত রাখা, কিন্তু ইরানের জাহাজ চলাচল আবার আটকানোর নীতিতে না ফেরা— এসবই ইঙ্গিত দেয় যে আলোচনার এখনও যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
মাসগ্রেভ বলেন, আমার মনে হয় এটি একটি পরীক্ষামূলক সময়, কিন্তু কোনোভাবেই আলোচনার শেষ নয়।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ নাকি ইরানকে ‘আরও বৃহৎ পরিসরে ভাবতে’ উৎসাহিত করেছেন। তারা ইরানকে বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বাণিজ্য পুনরায় চালু করা এবং ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিলের সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করুন, যা ইরানকে আবার বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত হতে সহায়তা করবে।
মাসগ্রেভের মতে, এমন একটি সমঝোতা হলে উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করে আলোচনা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ