আমের বহুমাত্রিক ব্যবহার বাড়াতে হবে : পাবিপ্রবি উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিবিধ

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেছেন, ‘বৈজ্ঞানিক উপায়ে নিরাপদ আম উৎপাদন ও উন্নত

2026-07-12T13:47:23+00:00
2026-07-12T13:53:30+00:00
 
  সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
বিবিধ
আমের বহুমাত্রিক ব্যবহার বাড়াতে হবে : পাবিপ্রবি উপাচার্য
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৭ পিএম  আপডেট: ১২.০৭.২০২৬ ১:৫৩ পিএম
উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। ছবি : সংগৃহীত
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেছেন, ‘বৈজ্ঞানিক উপায়ে নিরাপদ আম উৎপাদন ও উন্নত বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তুললে, আম রফতানির সম্ভাবনা ব্যাপক হারে বাড়বে। কাঁচা থেকে পাকা আম ব্যবস্থাপনায় দৃষ্টি দিতে হবে। একইসঙ্গে আমের বহুমাত্রিক ব্যবহার বাড়াতে হবে।’

শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মৌসুমী ফল উৎসবের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব, কনভেনশন হলে এই ফল উৎসবের আয়োজন করে।

উপাচার্য বলেন, ‘আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৭ম হওয়ায় রফতানির উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে, কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় অর্থনৈতিক ফল হিসেবে রফতানি করা যাচ্ছে না। ফলে, এ খাতের চাষীরা তেমন লাভবান হচ্ছেন না।’

‘মৌসুমী ফল আম, প্রকৃতির মিষ্টি উপহার, চাঁপাইয়ের গর্ব’ শীর্ষক স্লাইড উপস্থাপনার মাধ্যমে অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত জানান, দেশে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৯০০ মেট্রিকটন আম উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ লাখ মেট্রিকটন উৎপাদিত হয়। মাটি ও আবহাওয়ার কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম উন্নতমানের। এছাড়া স্বাদে, গন্ধে আর আকৃতিতেও এগিয়ে থাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের রাজধানী। দেশের ৪০ থেকে ৪৫ ভাগ সেখানে উৎপাদিত হয়। চাষীদের কথা মাথায় রেখে এই জেলায় হিমাগার, ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন করতে হবে।  


বৈচিত্র্যময় রেসিপি উপযোগী করে আম সংরক্ষণ করা হচ্ছে না উল্লেখ করে আবুল হাসনাত বলেন, ‘ফ্রোজেন কিংবা ড্রাই আম রফতানির ব্যবস্থা করতে হবে। কিছু দেশ আম থেকে ম্যাংগো ওয়েল রফতানি করছে। একইরকম সুযোগ আমাদের সৃষ্টি করতে হবে। আমের আঁটি থেকে প্রাপ্ত শাঁস দিয়ে ম্যাংগো ওয়েল তৈরি করা সম্ভব। এছাড়া, আমের চকলেট, লজেন্স, বেকারি পণ্য তৈরি করতে হবে। গবেষণার মাধ্যমে আম থেকে ভোজ্য তেলও তৈরি করা যায়। সেক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আম উৎপাদন, বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। গুণগতমাণ ও বাজার মূল্য ঠিক রাখতে বাঁশের ঝুড়ির পরিবর্তে, প্লাস্টিক ক্যারেট বা কাপড় কিংবা কাগজের লাইনরাযুক্ত বাঁশের ঝুড়ি ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া, আম জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে। জি আই পদ্ধতিতে ট্যাগ লাগাতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার ২০১০ সালে আম গাছকে জাতীয় বৃক্ষ ঘোষণা করেছেন। হেক্টর প্রতি ফলনও বেড়েছে ৩.১৭ গুণ। এক বিঘা জমিতে ৮/১০টি আম গাছ রোপণ করা হলেও, তা বেড়ে ১৫০-১৮০টি গাছ লাগানো যায়।’   

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি এমরান হোসেন তানিমের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, ছাত্র উপদেষ্টা দফতরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল হক। এছাড়া, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান, ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. হাবিবুল্লাহ, বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান মীর হুমায়ূন কবিরসহ জ্যেষ্ঠ শিক্ষক, কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা।

সময়ের আলো/মহু



  বিষয়:   আম  বহুমাত্রিক  ব্যবহার  পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
বিবিধ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: