বন্যায় ৫৪ মৃত্যু, নতুন ঝুঁকি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

জাতীয়

চট্টগ্রাম অঞ্চলে কিছু এলাকায় বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও মানুষের দুর্ভোগ কমছে না। কোথাও কাদায় আটকে আছে ঘরবাড়ি,

2026-07-14T00:16:46+00:00
2026-07-14T00:16:46+00:00
 
  মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬,
৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
বন্যায় ৫৪ মৃত্যু, নতুন ঝুঁকি
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৬ এএম 
ত্রাণ নিয়ে ফিরছে বন্যার্তরা। ছবি : সময়ের আলো
চট্টগ্রাম অঞ্চলে কিছু এলাকায় বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও মানুষের দুর্ভোগ কমছে না। কোথাও কাদায় আটকে আছে ঘরবাড়ি, কোথাও নষ্ট হয়েছে শেষ সম্বল। এক সপ্তাহ ধরে চুলা না জ্বলা পরিবারগুলো এখন খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের সংকটে দিন কাটাচ্ছে। এরই মধ্যে বন্যাকবলিত সাত জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগের আশঙ্কা।

৭ জেলায় ৫৪ জনের মৃত্যু : 

এদিকে বন্যাকবলিত ৭ জেলায় এ পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়। সোমবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের প্রকাশ করা হালনাগাদ তথ্যে মৃত্যুর এই সংখ্যা জানানো হয়। এতে বলা হয়, কক্সবাজারে ৩১ জন, চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে তিনজন ও মৌলভীবাজারে একজন নিহত হয়েছে। এসব জেলায় আহত হয়েছে ৩৯ জন। 

সাত জেলার চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, মৌলভী বাজার ও হবিগঞ্জে ৫৯ উপজেলায় ৩৩৪টি ইউনিয়ন ও ১২টি পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কমতে শুরু করেছে পানি : 

সাতকানিয়া প্রতিনিধি মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ভয়াবহ বন্যার ষষ্ঠ দিনে পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে। 

তবে উপজেলার নিম্নাঞ্চলে এখনও হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে রয়ে গেছে। পানিবন্দি থাকার পর বন্যাকবলিত মানুষ এখন খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, কাদা ও আবর্জনায় ভরে যাওয়া ঘরবাড়ি পরিষ্কার, নষ্ট হয়ে যাওয়া আসবাবপত্র এবং জীবিকা পুনরুদ্ধারের মতো নতুন সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন।

উপজেলার কেঁওচিয়া, ঢেমশা, বাজালিয়া, সোনাকানিয়া ও কালিয়াইশ, নলুয়া, আমিলাইষ ইউনিয়নের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে এখনও পানি পুরোপুরি নামেনি। অনেক পরিবার ঘরে ফিরলেও কাদা ও দুর্গন্ধে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বাড়িঘর। বন্যায় ঘরের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, কাপড় চোপড় এবং মজুদ রাখা চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। 

অনেক পরিবার এখন রান্না করার মতো পরিবেশও পাচ্ছে না। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপজেলার কৃষি খাত। বিস্তীর্ণ এলাকার আমনের বীজতলা, সবজি ক্ষেত ও মাছের ঘের বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষক বছরের একমাত্র আয়ের উৎস হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। পানি পুরোপুরি না নামলে ফসলের ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। একই সঙ্গে মাছের ঘের ভেসে যাওয়ায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

দুর্গত এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ত্রাণ বিতরণ ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তবে দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকায় এখনও পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী পৌঁছেনি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেক পরিবার এখনও শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের অপেক্ষায় আছে।

বাঁশখালী থেকে সংবাদদাতা জানান, পানিবন্দি এলাকায় দুর্ভোগ লেগেই আছে। এখনও অন্তত ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি ছিল। তবে সোমবার ভোর থেকে পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। হতাশ লোকজনের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরছে। তবে দুর্গত এলাকায় তীব্র ত্রাণ সংকট কাটেনি। 

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে দেখা যায়, উপজেলার বাহারছাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ইলশা, সরল, গন্ডামারা এলাকায় পানি কমছে। তবে তা খুব ধীর গতিতে হচ্ছে। এসব অঞ্চলের ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ওই এলাকায় অতিরিক্ত পানি ও যোগাযোগব্যবস্থা ঠিক না থাকায় তারা সরকারি-বেসরকারি ত্রাণের সুবিধা পাননি।

কাথারিয়া ইউনিয়নের দুর্গত লোকজন জানান, সব জায়গায় ত্রাণের সংকট। ত্রাণের প্রবাহ প্রয়োজনের তুলনায় কিছুই না। ব্যাপক হারে ত্রাণ বিতরণ না করলে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানো যাবে না।

পশ্চিম গন্ডামারা এলাকায় বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি ভেঙেছে। কৃষকের ব্যাপক ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তারা এখনও পর্যন্ত কোনো ধরনের সরকারি-বেসরকারি ত্রাণের সহযোগিতা পাননি। যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না থাকায় ত্রাণবাহী গাড়িগুলো ওই এলাকায় প্রবেশ করতে পারছে না। অনুমান করা হচ্ছে পশ্চিম গন্ডামারায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন জানান, বন্যাকবলিত এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। এভাবে পানি নামতে থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতি হবে। দুর্গত এলাকা সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত আছে। উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের কাছে বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত ১০০ টন চাল ও ৫ হাজার পরিবারে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

বান্দরবান প্রতিনিধি জানান, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। শহরের অধিকাংশ প্লাবিত এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ এখনও কাটেনি।

সোমবার সকালে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও ভারী বর্ষণ না হওয়ায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে। সরেজমিন দেখা যায়, বান্দরবান শহরের আর্মি পাড়া, শেরে বাংলা নগর, ইসলামপুর, বালাঘাটা ও আশপাশের নিম্নাঞ্চল থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। 

দীর্ঘ কয়েক দিন পানিবন্দি থাকার পর বাসিন্দারা ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে ঘরে ঢুকে পড়া পানিতে নষ্ট হয়েছে আসবাবপত্র, খাদ্যসামগ্রী, কাপড়চোপড় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক জিনিসপত্র।

৯ জেলায় পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা : 

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দেশের ৯ জেলায় চলমান স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলেও জানানো হয়েছে। 

সোমবার সকাল থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলীয় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব অথবা কিছুটা অবনতি হতে পারে।

এদিকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু, মাতামুহুরী নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকতে পারে। 

৪ নদীর পানি বিপদসীমার ওপর : 

সুরমা নদীর ছাতক (সুনামগঞ্জ); কুশিয়ারা নদীর মারকুলি (সুনামগঞ্জ) ও ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট); সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) স্টেশনে পানি বিপদসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা তথ্যকেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের তিস্তা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ধরলা ও দুধকুমার নদীগুলোতে পানি সমতল স্থিতিশীল আছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার ভিস্তা ও দুধকুমার নদীগুলোর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়ে কিছু কিছু স্থানে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। গাইবান্ধা জেলায় তিস্তা নদী ও কুড়িগ্রাম জেলায় ধরলা নদী সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে।


পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের টাঙ্গন, পুনর্ভবা, ঘাঘট, আত্রাই, আপার আত্রাই, মহানন্দা, যমুনেশ্বরী ও করতোয়া নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, অন্যদিকে আপার করতোয়া নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে, যা আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগে এবং উজানে ভারতের আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে ভারী থেকে অভিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল : 

বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত ৯৫ জন সাপে কাটা রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সাপের দংশন থেকে সুরক্ষার জন্য সব জায়গায় অ্যান্টিভেনম পৌঁছানো হচ্ছে। তবে বন্যাকবলিত অঞ্চলে এখনও কলেরা আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি।

গাইবান্ধায় দ্রুত বাড়ছে পানি : 

টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত প্রধান চারটি নদ-নদীর পানি একসঙ্গে বাড়ছে, আর প্রতিটি নদীতেই বিপদসীমা থেকে দূরত্ব কমছে দ্রুত গতিতে। যমুনা-ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, করতোয়া ও তিস্তা- প্রতিটি নদীতেই গত ২৪ ঘণ্টায় উল্লেখযোগ্য হারে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও চারটি নদ-নদীতে এখনও পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, তবে বিপদসীমা ও বর্তমান পানির উচ্চতা ব্যবধান যেভাবে কমে আসছে, তাতে স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুর ১২টায় রেকর্ড করা পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জেলার সবচেয়ে বড় নদী যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের ফুলছড়ি পয়েন্টে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৮৩ মিটার, যেখানে বিপদসীমা ধরা হয় ১৯ দশমিক ৩৫ মিটার। অর্থাৎ বিপদসীমার ১৫২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে নদীটি। 

গত এক দিনেই এই পয়েন্টে পানি বেড়েছে ১৩ সেন্টিমিটার। একই চিত্র দেখা গেছে জেলা শহর ঘেঁষে বয়ে যাওয়া ঘাঘট নদীতেও। নিউ ব্রিজ পয়েন্টে নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ১৫৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে। বর্তমান পানির উচ্চতা ১৯ দশমিক ৭০ মিটার, বিপরীতে বিপদসীমা ২১ দশমিক ২৫ মিটার। চার নদীর মধ্যে ঘাঘটের পানি বৃদ্ধি উদ্বেগজনক- ২০ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি 


  বিষয়:   বন্যায়  মৃত্যু  ঝুঁকি  দুর্ভোগ 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: