হারারের তিক্ত স্মৃতি পেছনে ফেলে এবার নতুন শুরুর অপেক্ষায় বাংলাদেশ। টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে লজ্জাজনক হার, এরপর ওয়ানডে সিরিজেও পরাজয়, এমন কঠিন সফরের পর টাইগারদের সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন সুযোগ টি-টোয়েন্টি সিরিজে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে তাওহীদ হৃদয়ের দল। সীমিত ওভারের সবচেয়ে ছোট সংস্করণে নিজেদের সামর্থ্য দেখিয়ে সফরটা ইতিবাচকভাবে শেষ করাই এখন বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য। এই সফরের শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। হারারেতে একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ।
এরপর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও ২-১ ব্যবধানে হাতছাড়া হয়। তবে শেষ ম্যাচে দাপুটে জয়ে অন্তত হোয়াইটওয়াশ এড়াতে সক্ষম হয়েছে টাইগাররা। সেই জয় থেকেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করতে চাইছে সফরকারীরা। এই সিরিজেও বাংলাদেশকে খেলতে হবে নিয়মিত টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাসকে ছাড়াই। কাফ ইনজুরির কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠের টি-টোয়েন্টি সিরিজ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট এবং ওয়ানডে সিরিজেও খেলতে পারেননি এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।
লিটনের অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্বে থাকবেন তাওহীদ হৃদয়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব করা হৃদয়ের জন্য এটি নেতৃত্বে ধারাবাহিকতা ধরে রাখার আরেকটি সুযোগ।
মোস্তাফিজুর রহমান চোটে পড়ায় দলে ফিরেছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। এলপিএলে খেলার কারণে শুরুতে তার এই সিরিজে না থাকার কথা থাকলেও পরে ফ্র্যাঞ্চাইজির অনুমতি পাওয়ায় তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলবেন তিনি। হারারের প্রথম ওয়ানডেতে পাওয়া হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে এখনও মাঠের বাইরে আছেন মোস্তাফিজ।
মোস্তাফিজ না থাকায় বাংলাদেশের পেস আক্রমণের দায়িত্ব থাকবে তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলামের কাঁধে। স্পিন বিভাগে খেলতে পারেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন এবং বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন অফ স্পিনে বাড়তি বিকল্প হিসেবে থাকবেন।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি