মেধার মানচিত্র : হোয়াইট-কলার কর্মশক্তির রূপান্তর

ড. মতিউর রহমান

মতামত

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির গল্প বলতে গেলে সাধারণত তৈরি পোশাক শিল্পের সাফল্য, প্রবাসী আয়, তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তার কিংবা সেবা খাতের সম্প্রসারণের কথাই

2026-07-22T06:08:42+00:00
2026-07-22T06:08:42+00:00
 
  বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬,
৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
মতামত
মেধার মানচিত্র : হোয়াইট-কলার কর্মশক্তির রূপান্তর
ড. মতিউর রহমান
প্রকাশ: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৮ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির গল্প বলতে গেলে সাধারণত তৈরি পোশাক শিল্পের সাফল্য, প্রবাসী আয়, তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তার কিংবা সেবা খাতের সম্প্রসারণের কথাই সামনে আসে। কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনাও দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হয়েছে নতুন চাকরি সৃষ্টি, বেকারত্ব কমানো এবং তরুণদের দক্ষ করে তোলার প্রশ্নে। কিন্তু এই পরিচিত আলোচনার আড়ালে আরেকটি পরিবর্তন নীরবে ঘটে চলেছে, যা এখনও আমাদের নীতিনির্ধারণী আলোচনায় তেমন গুরুত্ব পায়নি। 

এই পরিবর্তন কারখানার উৎপাদন লাইনে নয়; এটি ঘটছে অফিস, ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, সংবাদমাধ্যম, করপোরেট প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি দফতরের ভেতরে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ধীরে ধীরে বদলে দিচ্ছে বাংলাদেশের হোয়াইট-কলার কর্মসংস্থানের চেহারা।

এই পরিবর্তন চোখে পড়ে না, কারণ এটি নতুন কোনো বিশাল যন্ত্র বা কারখানা নির্মাণের মাধ্যমে ঘটছে না। বরং সফটওয়্যার, অ্যালগরিদম এবং ডিজিটাল সহকারীর মাধ্যমে এমন অনেক কাজ সম্পন্ন হচ্ছে, যেগুলো এতদিন শুধু শিক্ষিত পেশাজীবীরাই করতেন। ফলে প্রশ্নটি আর এ নয় যে এআই বাংলাদেশের কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলবে কি না; বরং প্রশ্ন হলো, এই পরিবর্তনের জন্য আমরা কতটা প্রস্তুত।

গত দুই দশকে বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষার প্রসারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ব্যবসায় প্রশাসন, হিসাববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কম্পিউটার বিজ্ঞান, আইন, চিকিৎসা, সাংবাদিকতা ও সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক হয়ে কর্মবাজারে প্রবেশ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে অফিসভিত্তিক চাকরি ছিল মধ্যবিত্তের স্বপ্ন, সামাজিক মর্যাদা এবং আর্থিক নিরাপত্তার প্রতীক। কিন্তু এখন সেই কর্মক্ষেত্রের প্রকৃতিই বদলে যাচ্ছে।

এআই নিয়ে সবচেয়ে প্রচলিত ধারণা হলো, এটি মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে। বাস্তবতা এতটা সরল নয়। ইতিহাস বলে, প্রযুক্তি সাধারণত পুরো পেশাকে বিলুপ্ত করে না; বরং কাজের ধরন বদলে দেয়। শিল্পবিপ্লব মানুষের শারীরিক শ্রমের ধরন বদলে দিয়েছে, কম্পিউটার বদলে দিয়েছে হিসাব-নিকাশ ও তথ্য সংরক্ষণের পদ্ধতি। আর এআই বদলে দিচ্ছে এমন অনেক মানসিক ও বিশ্লেষণধর্মী কাজ, যেগুলোর জন্য এতদিন মানুষের বিচার-বিবেচনা, তথ্য বিশ্লেষণ এবং যোগাযোগ দক্ষতার প্রয়োজন হতো। অর্থাৎ এআই পুরো মানুষকে নয়, মানুষের কাজের একটি অংশকে বদলে দিচ্ছে।

এর প্রভাব ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে দৃশ্যমান। ব্যাংকগুলো গ্রাহকসেবা, ঋণ মূল্যায়ন, জালিয়াতি শনাক্তকরণ এবং ঝুঁকি বিশ্লেষণে এআই ব্যবহার করছে। বড় হিসাবরক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ এবং নিরীক্ষার প্রাথমিক কাজ দ্রুত সম্পন্ন করছে সফটওয়্যারের মাধ্যমে। আইনজীবীরা হাজার হাজার নথি অল্প সময়ে বিশ্লেষণের জন্য এআইনির্ভর গবেষণা প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন। 

সাংবাদিকরা সংবাদ বিশ্লেষণ, খসড়া লেখা, অনুবাদ এবং তথ্য যাচাইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তা নিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পাঠদান ও মূল্যায়নে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, হাসপাতালগুলো রোগ নির্ণয়ে এআইভিত্তিক প্রযুক্তি যুক্ত করছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানও নাগরিক সেবা সহজ করা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানোর জন্য এআই ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করছে। 

তবে এই পরিবর্তনকে শুধু চাকরির জন্য হুমকি হিসেবে দেখলে ভুল হবে। বরং এটি পেশাগত কাজের অগ্রাধিকার বদলে দিচ্ছে। যেসব কাজ একই ধরনের নিয়ম মেনে বারবার করতে হয়, সেগুলো ক্রমেই সফটওয়্যার সম্পন্ন করবে। ফলে মানুষের সময় ব্যয় হবে বিশ্লেষণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সৃজনশীল চিন্তা, নেতৃত্ব এবং মানুষের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগের মতো কাজে। একজন আর্থিক বিশ্লেষক ভবিষ্যতে হিসাব তৈরির চেয়ে অর্থনৈতিক ঝুঁকি মূল্যায়নে বেশি সময় দেবেন। একজন আইনজীবী নথি খোঁজার বদলে মামলার কৌশল নির্ধারণে মনোযোগ দেবেন। একজন চিকিৎসক রোগ নির্ণয়ে প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে রোগীর চিকিৎসা ও পরামর্শে আরও বেশি সময় দিতে পারবেন।

কিন্তু পরিবর্তনের সুফল সবাই সমানভাবে পাবেন না। বাংলাদেশের অনেক অফিসভিত্তিক চাকরি এখনও তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, কাগজপত্র প্রস্তুত, তথ্য এন্ট্রি বা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর নির্ভরশীল। জুনিয়র হিসাবরক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, কাস্টমার সার্ভিস কর্মী, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, গবেষণা সহকারী কিংবা কেরানিদের অনেক কাজই এখন এআই দ্রুত ও কম খরচে করতে পারছে। এই চাকরিগুলোই এতদিন নতুন স্নাতকদের কর্মজীবনের প্রবেশদ্বার ছিল। যদি এসব পদের সংখ্যা কমে যায়, তা হলে তরুণদের জন্য কর্মজীবনের শুরুটা আরও কঠিন হয়ে উঠবে।
 
এখানেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। আমাদের দেশে বহু বছর ধরেই উচ্চশিক্ষা ও শ্রমবাজারের চাহিদার মধ্যে একটি ফাঁক রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিপুলসংখ্যক স্নাতক বের হলেও নিয়োগদাতারা প্রায়ই বাস্তব দক্ষতা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতার ঘাটতির কথা বলেন। এআই এই বাস্তবতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলবে। ভবিষ্যতে শুধু ডিগ্রি থাকলেই চাকরি মিলবে না; নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে কাজ করার দক্ষতা এবং দ্রুত শেখার মানসিকতাই হবে সবচেয়ে বড় যোগ্যতা।

বাংলাদেশের আউটসোর্সিং শিল্পও একই ধরনের পরিবর্তনের মুখোমুখি। গ্রাহকসেবা, তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং ভাষান্তরের মতো অনেক কাজ এখন চ্যাটবট ও এআইভিত্তিক সফটওয়্যার দিয়ে সম্পন্ন করা যাচ্ছে। এতে কিছু প্রচলিত কাজের চাহিদা কমতে পারে। তবে একই সঙ্গে নতুন ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে। এআই ব্যবস্থাপনা, সাইবার নিরাপত্তা, তথ্য সুরক্ষা, সফটওয়্যার সমন্বয়, প্রযুক্তি নীতি এবং মানবকেন্দ্রিক ডিজিটাল সেবার মতো ক্ষেত্রগুলোতে দক্ষ জনবলের চাহিদা দ্রুত বাড়বে। 


সরকারি খাতও এই পরিবর্তনের বাইরে নয়। কর প্রশাসন, ভূমি ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, বিচারব্যবস্থা এবং নাগরিক সেবায় এআই দক্ষতা বাড়াতে পারে। সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে এটি সেবার মান উন্নত করবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণকে আরও তথ্যনির্ভর করবে এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমাতে সহায়তা করবে। তবে এর জন্য দরকার শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো, তথ্য নিরাপত্তা এবং দক্ষ মানবসম্পদ।

এই রূপান্তর নতুন ধরনের বৈষম্যও তৈরি করতে পারে। যাদের ডিজিটাল দক্ষতা বেশি, ইংরেজিতে স্বাচ্ছন্দ্য আছে এবং নতুন প্রযুক্তি শেখার সুযোগ রয়েছে, তারা দ্রুত এগিয়ে যাবেন। অন্যদিকে একই শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও যারা প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে পারবেন না, তারা পিছিয়ে পড়বেন। ফলে ভবিষ্যতের বিভাজনটি শুধু শিক্ষিত ও অশিক্ষিতের মধ্যে হবে না; বরং প্রযুক্তি ব্যবহার করতে সক্ষম এবং অক্ষম মানুষের মধ্যেও তৈরি হবে। কম্পিউটার দক্ষতা যেমন একসময় কর্মজীবনের অপরিহার্য শর্ত হয়ে উঠেছিল, তেমনি আগামী দশকে এআই সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞানও একটি মৌলিক দক্ষতা হয়ে উঠবে। 

নারীদের ক্ষেত্রেও এই পরিবর্তনের দুটি দিক রয়েছে। দূর থেকে কাজ করার সুযোগ এবং নমনীয় কর্মপরিবেশ অনেক শিক্ষিত নারীর জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। আবার যেসব প্রশাসনিক ও সহায়ক পদে নারীদের অংশগ্রহণ বেশি, সেগুলোর কিছু কাজ স্বয়ংক্রিয় হয়ে গেলে নতুন ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তাই নারীদের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ ও পুনর্দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি অত্যন্ত জরুরি।

এই বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকাও নতুনভাবে ভাবতে হবে। আমাদের উচ্চশিক্ষা এখনও অনেকাংশে পরীক্ষানির্ভর ও মুখস্থবিদ্যাভিত্তিক। অথচ ভবিষ্যতের কর্মবাজারে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে বিশ্লেষণী চিন্তা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, সৃজনশীলতা, দলগত কাজ এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার। শুধু কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী নয়; আইন, অর্থনীতি, চিকিৎসা, সাংবাদিকতা, সমাজবিজ্ঞান কিংবা জনপ্রশাসনের শিক্ষার্থীদেরও এআই সম্পর্কে মৌলিক ধারণা থাকতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সমালোচনামূলক চিন্তার বিকাশ, কারণ এআই তথ্য দিতে পারে, কিন্তু সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত মানুষেরই। 

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নতুন বাস্তবতা মেনে চলতে হবে। এআইকে শুধু খরচ কমানোর মাধ্যম হিসেবে দেখলে চলবে না। কর্মীদের নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে। যে প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ- দুই ক্ষেত্রেই সমান গুরুত্ব দেবে, ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় তারাই এগিয়ে থাকবে। সরকারেরও একটি সুস্পষ্ট জাতীয় এআই নীতি প্রয়োজন। স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হলে শিক্ষা, গবেষণা, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন, তথ্য সুরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা এবং নৈতিক ব্যবহার- সবকিছুকে সমন্বিত করে পরিকল্পনা নিতে হবে। 

বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে নাগরিকের গোপনীয়তা রক্ষা এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকানোর জন্য কার্যকর আইন ও জবাবদিহিতার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ অতীতেও বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে সফলভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। কৃষি থেকে শিল্পায়ন, মোবাইল ব্যাংকিং থেকে ডিজিটাল সেবা- প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেশ নতুন সুযোগ গ্রহণ করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও তেমনই আরেকটি সুযোগ। যথাযথ প্রস্তুতি থাকলে এটি উৎপাদনশীলতা বাড়াবে, সরকারি সেবার মান উন্নত করবে এবং নতুন ধরনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। 

কিন্তু প্রস্তুতি ছাড়া এগোলে এটি শিক্ষিত বেকারত্ব, বৈষম্য এবং দক্ষতার সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। 
বাংলাদেশের হোয়াইট-কলার কর্মসংস্থানের এই পরিবর্তন হঠাৎ করে ঘটবে না। একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখা যাবে না যে অফিসে মানুষের জায়গায় যন্ত্র বসে গেছে। পরিবর্তনটি হবে ধীরে ধীরে। চাকরির ধরন বদলাবে, দক্ষতার চাহিদা বদলাবে, কর্মজীবনের পথও বদলে যাবে। ভবিষ্যতে সফল হবেন তারা, যারা শেখা থামাবেন না এবং প্রযুক্তিকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, সহকর্মী হিসেবে ব্যবহার করতে শিখবেন।

সবশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নয়; বরং এই পরিবর্তনের জন্য দেশের প্রস্তুতি। এই নীরব রূপান্তর ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়- বাংলাদেশ কি পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেবে, নাকি পরিবর্তনের ঢেউ এসে আঘাত করার পর শুধু তার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে?

গবেষক ও উন্নয়ন পেশাজীবী
মতামত লেখকের নিজস্ব

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি 



  বিষয়:   মেধা  মানচিত্র  হোয়াইট  কলার  কর্মশক্তি 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: