২০২৬ বিশ্বকাপ শুধু নতুন চ্যাম্পিয়নই উপহার দেয়নি, বদলে দিয়েছে অনেক ফুটবলারের ক্যারিয়ারের গতিপথও। মাঠের পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে ট্রান্সফার মার্কেটের সবশেষ মূল্যায়নে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বেশ কয়েকজন তারকার বাজারমূল্য। তরুণ প্রতিভা থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত ফুটবলার, বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স তাদের চাহিদা ও মূল্য দুটোই বাড়িয়েছে।
সবচেয়ে বড় উল্লম্ফন ঘটেছে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনের। বিশ্বকাপের আগে তার বাজারমূল্য ছিল ৭ কোটি ৫০ লাখ ইউরো, যা বেড়ে এখন ১১ কোটি ইউরো। টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিশ্বকাপ চলাকালেই ম্যানচেস্টার সিটিতে তার যোগ দেওয়াও এই মূল্যবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
তার পরেই রয়েছেন ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম ও মরক্কোর তরুণ মিডফিল্ডার আইয়ুব বুয়াদ্দি। দুজনেরই বাজারমূল্য বেড়েছে ৩ কোটি ইউরো করে। বেলিংহাম ১৫ কোটি ইউরোর ক্লাবে পৌঁছেছেন, আর মাত্র ১৮ বছর বয়সি বুয়াদ্দির মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ইউরো।
বিশ্বকাপে সাত গোল করা নরওয়ের আর্লিং হালান্ড এবং স্পেনের শিরোপাজয়ী তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল দুজনেরই বাজারমূল্য এখন ২২ কোটি ইউরো। তাদের প্রত্যেকের মূল্য বেড়েছে ২ কোটি ইউরো।
গোল্ডেন বুটজয়ী কিলিয়ান এমবাপে বিশ্বকাপে ১০ গোল করে আবারও নিজের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছেন। তার বাজারমূল্য ১৮ কোটি থেকে বেড়ে এখন ২০ কোটি ইউরো। একইভাবে ফ্রান্সের উইঙ্গার মাইকেল ওলিসে, আর্জেন্টিনার ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ, ইংল্যান্ডের মরগান রজার্স এবং স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সি সবারই বাজারমূল্য বেড়েছে ২ কোটি ইউরো করে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে ভালো পারফরম্যান্স যে শুধু ট্রফি বা ব্যক্তিগত পুরস্কারই এনে দেয় না, বরং ফুটবলারদের আর্থিক মূল্য ও দলবদলের সম্ভাবনাকেও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায় ২০২৬ বিশ্বকাপের পর ট্রান্সফার মার্কেটের এই হালনাগাদ তালিকাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
সময়ের আলো/এসএকে